রবিবার বিকেলে প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরে সুর সপ্তমে চড়ালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর উপনির্বাচনের প্রচারের শেষ রবিবার আজই। এই কারণেই বেশ ঝড়ের গতিতে নানান দলের নানান নেতারা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যৌথ সভা ছিল। এই সভাতেই রীতিমতো হুঁশিয়ারি শানিয়ে অভিষেক বলেন, “একমাত্র নরেন্দ্র মোদীকে হারাতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বহিরাগতদের দিয়ে বাংলা দখল করতে না পেরে এখন বহিরাগত এজেন্সি পাঠাচ্ছে। ৫০০ এজেন্সি পাঠালেও মেরুদণ্ড বিক্রি করব না”।
আরও পড়ুন- অনুপ্রেরণা মোদী, শেখ হাসিনার জন্মদিনেও রেকর্ড টিকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হল প্রতিবেশী দেশে
কিছুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন অভিষেক। সেখানে তিনি ইডি ও সিবিআইকে মোদী ও শাহ্’র দুই ভাই বলে আখ্যা দেন। আর আজ অমিত শাহ্’কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “কত নোটিশ পাঠাবেন পাঠান। মেরুদণ্ড বিক্রি করব না। এখনও পর্যন্ত আমাকে পাঁচটা নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাঠাতে পাঠাতে কাগজ–কালি শেষ হয়ে যাবে। তবু জেরা শেষ হবে না। ইডি–সিবিআই আমার কাঁচকলা করেছে, কাঁচকলা করবে”।
রোমে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু তাঁকে সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি কেন্দ্রের তরফে। এই নিয়েও এদিন সভায় তোপ দাগেন অভিষেক। তাঁর কথায়, “গোটা দেশ থেকে আন্তর্জাতিক ওই শান্তি সম্মেলনে ডাক পেয়েছিলেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মোদীর সরকার তাঁকে যেতে দিল না। কেন জানেন? কারণ তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ওঁর থেকে বেশি জনপ্রিয় হয়ে যাবেন”।
প্রসঙ্গত, এই ঘটনা নিয়ে গতকালই কটাক্ষ শানিয়েছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন, “কেন যেতে দেওয়া হল না আমাকে? আমাকে যেতে না দিয়ে বেআইনি কাজ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের সম্মান জড়িত ছিল এই সফরের সঙ্গে। অনেক বিশিষ্টজনেদের সঙ্গে আমাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল শান্তি সম্মেলনে। ইতালি থেকে বিশেষ অনুমোদনও পাওয়া গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও কেন্দ্র অনুমোদন দিল না”।





