আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় এই মুহূর্তে উত্তাল রাজ্যের চারিদিক। দিকে দিকে চলছে প্রতিবাদ-আন্দোলন। সাধারণ মানুষ পথে নেমেছে ন্যায় বিচারের দাবীতে। দোষীদের কঠোরতম শাস্তিই দাবী সকলের। এসবের মধ্যেই এল এক খবর। ধর্ষণ-খুন-প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার ঘটনায় এবার অভিযুক্তকে কড়া শাস্তি দিল আদালত।
তিলোত্তমা কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের নানান প্রান্তে আন্দোলন চলছে। জুনিয়র চিকিৎসকরা আংশিকভাবে কাজে ফিরলেও তাদের আন্দোলন যে এখনও চলছে, তা স্পষ্ট জানিয়েছেন তারা। এই ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। এবার ধর্ষণ-খুন ও প্রমাণ লোপাটের মামলায় নিয়ে এল এক বড় খবর।
২০১৯ সালে হলদিয়া পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, খুনের পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করারও অভিযোগ করা হয়। সেই ঘটনায় অভিযোগ ওঠে সুজন পাত্র নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। হলদিয়া মহকুমা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে সেই অভিযুক্ত।
এই ঘটনাতেই গতকাল, শুক্রবার হলদিয়া মহকুমা আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক শাস্তির নির্দেশ দেন। এদিন সরকারি ও অভিযুক্তের পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব চলে। এরপর অপরাধীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা শোনায় আদালত। এমনকি, পকসো আইনের ধারা অনুযায়ী, ৩০২ ও ৩৭৬ ধারায় মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে ওই অপরাধীকে।
বলে রাখি, প্রথমে এই মামলা লড়ছিলেন সরকারি আইনজীবী চান্দ্রেয়ী বিশ্বাস। তবে পরবর্তীতে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে স্থানান্তরিত হওয়ায় সেই মামলা যায় আইনজীবী সৌমেন দত্তের দায়িত্বে। চান্দ্রেয়ী বিশ্বাস আগেই জানিয়েছিলেন, এই মামলার সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি বা আজীবন কারাদণ্ড হতে পারে। এই ঘটনা থেকে অনেকেরই প্রশ্ন, আর জি করের তিলোত্তমা কাণ্ডে দোষীরা আদৌ কবে সাজা পাবে? কবে ন্যায় বিচার মিলবে এই ঘটনায়?





