রাজ্য সফরের দ্বিতীয় দিনে জাতীয় গ্রন্থাগারে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বৈঠকে সাংগঠনিক কাজ দেখাশোনা করার পাশাপাশি দলের নির্বাচনী রণনীতি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করলেন শাহ।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনের রণনীতি আদৌ কী হতে চলেছে, এই নিইয়েই আজ জাতীয় গ্রন্থাগারে বৈঠকে বসেন শাহ। এই গোপন রণনীতি যাতে কোনওভাবেই ফাঁস না হয়, এই কারণে ‘দুর্ভেদ্য ঘাঁটি’ হিসাবে জাতীয় গ্রন্থাগারকেই বেছে নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন- ফের উঠল ‘বিষ্ণুমাতা’র কথা! অমিত শাহকে হিন্দুত্বের পাঠ দিতে গিয়ে ভুল সরস্বতী মন্ত্র বললেন মমতা
এদিন জাতীয় গ্রন্থাগারে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে শাহ্’র মুখে উঠে এল নেতাজির অবদানের কথা।
তাঁর মতে, গান্ধীর প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়েছিলেন নেতাজি। নেতাজির অবদান ভোলা যাবে না। তাই ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে কেন্দ্র। তাঁর দাবী, নেতাজির অবদানকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তা সফল হয়নি। সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র। অমিত শাহ বলেন যে সুভাষচন্দ্র জনমানসে চিরস্মরণীয়। তাঁর আদর্শ আজও সকলের প্রেরণা। যদি সুভাষবাবু নিজের কেরিয়ারের কথা ভাবতেন, তাহলে আমাদের কে স্বাধীনতা দিত?
এদিন নেতাজির পাশাপাশি ঋষি অরবিন্দ ও শহিদ ক্ষুদিরামের কথাও উঠে আসে শাহ্’র কথার মধ্যে। তিনি বলেন, “কেন্দ্র স্মরণ করছে ক্ষুদিরামের মতো বিপ্লবীদেরও। হাসতে হাসতে ফাঁসির মঞ্চে ওঠা সহজ নয়। ঋষি অরবিন্দ বলেছিলেন যে ভারত উন্নতির শীর্ষে যাবে”।
জাতীয় গ্রন্থাগারে অনুষ্ঠানে অমিত শাহ আরও বলেন যে স্বাধীনতা আন্দোলনে অনেকে সর্বস্ব সঁপে দিয়েছেন। সবার বলিদানের জন্যই আজ ভারত স্বাধীন। বাংলার বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য বিজেপির। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন তিনি।
জানা গিয়েছে, বিপ্লবীদের স্মরণে বাংলায় সাইকেল যাত্রার সূচনা হবে। তিন ভাগে ভাগ হয়ে রওনা দেবেন সাইকেল আরোহীরা। বাংলার বিপ্লবীদের গ্রামে গ্রামে যাবেন। এদিন শাহ বলেন, বিপ্লবীদের স্মরণ করবে যুব প্রজন্ম। নেতাজি আজও সকলের প্রেরণা। বিপ্লবীদের মাহাত্ম্য স্মরণ করার জরুরি।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!