এর আগে রাজ্যের নানান অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে নানান অভিযোগ উঠে এসেছে। এবার অভিযোগ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে দেওয়া হচ্ছে পচা ডিম ও শুকনো ভাত। এই নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে রাঁধুনি ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে তালাবন্ধ করে রাখলেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।
অভিভাবকদের অভিযোগ, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে বরাবরই নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়। এর আগেও ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে নিম্নমানের খাবার ও পচা আলু দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এবার শিশুদের পাতে পচা ডিম দেওয়ার অভিযোগ উঠল।
স্থানীয়দের দাবী, এই নিয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার অভিযোগও জানিয়েছেন তারা। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। মানা শেখ নামে এক অভিভাবক বলেন, “এদিন দুর্গন্ধযুক্ত পচা ডিম দেওয়া হচ্ছিল, যা মুখে তোলা যায় না। পচা ও নিম্নমানের খাবার খেয়ে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। প্রতিবাদ করলে কেউ কর্নপাত করছেন না’।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, গর্ভবতী মা ও প্রসূতি মায়েদের গোটা ডিম দেওয়ার কথা। কিন্তু তা দেওয়া হয়না তাদের। কোনও কোনও দিন আবার শুধু শুকনো ভাত ও কাঁচা ডিম দিয়ে দেওয়া হয়। আবার সপ্তাহে এক-দু’দিন নানান অজুহাতে ছুটি রাখা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, “এই সেন্টার থেকে নিয়মিত নিম্নমানের খাবার ও পচা ডিম দেওয়া হয়। সেন্টারের কর্মীকে বলতে গেলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে। আজকেও সাদা ভাত ও সিদ্ধ পঁচা ডিম শিশুদের দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়রা বলতে গেলে পচা ডিম ও ভাত পুকুরে ফেলে দেন ওই অঙ্গনওয়াড়িকর্মী”।
যদিও অঙ্গনওয়াড়িকর্মী বিনতি দাস এই বিষয়ে বলেন, “সেন্টার থেকে নিয়মিত শিশুদের খাবার দেওয়া হয়। আজকেও খাবার দেওয়া হয়েছিল। পচা ডিম দেওয়ার অভিযোগটি সরাসরি মিথ্যা। আমাকে ফাঁসানোর একটা চক্রান্ত চলছে”।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নম্বর ব্লকের সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্পের আধিকারিক আব্দুল সাত্তার জানিয়েছেন, “স্থানীয়দের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে”।





