আজ, মঙ্গলবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে শান্তিনিকেতনে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন উপস্থিত থাকবেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসও। রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের আগমনের কারণে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে শান্তিনিকেতনকে। বিশ্বভারতীর ঐতিহ্য ও রীতি মেনে বরণ করে নেওয়া হবে রাষ্ট্রপতিকে। তাঁর পছন্দের কথা মাথায় রেখেই মধ্যাহ্নভোজনে আয়োজন করা হয়েছে পুরোদস্তুর নিরামিষ বাঙালি খাবার।
এদিন ঐতিহ্যবাহী সমাবর্তন অনুষ্ঠান রয়েছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। রীতি মেনেই সেজে উঠেছে পাঠভবন লাগোয়া আম্রকুঞ্জের জহরবেদি। কলাভবনের পড়ুয়া এবং অধ্যাপকরা আলপনা দিয়ে সাজিয়েছেন। নিরাপত্তায় সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে জেলা পুলিশ–প্রশাসন। নানান জায়গায় বসানো হয়েছে ড্রপগেট। সিসি ক্যামেরাও লাগানো হয়েছে। জনসাধারণের প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির জন্য এদিন বিশ্বভারতীতে থাকছে নানান বাঙালি পদ তবে সবটাই নিরামিষ। মেনুতে থাকছে ভাত, রুটি, স্যালাড, আলুর ঝুরো চিপস্, মুগ ডাল, পটলের দোরমা, পোস্তর বড়া, পনির, ভেন্ডি ভাপা–সহ চাটনি। রাষ্ট্রপতির পছন্দের কথা মাথায় রেখে পরিবেশন করা হবে মাশরুম মশালা, মিষ্টি দই, চিত্তরঞ্জন এবং কেশর রাজভোগও।
দীর্ঘদিন ধরেই রথীন্দ্র অতিথিগৃহে খাওয়ানোর দায়িত্বে রয়েছেন সজলরঞ্জন সেন। তিনি বলেন, “বিশ্বভারতীতে ভিভিআইপি আসার ঘটনা নতুন নয়। আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং রামনাথ কোবিন্দকেও আপ্যায়ন করে তৃপ্ত করেছি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদীদেবীকেও সেরা স্বাদের রান্না পরিবেশন করা হবে”।
জানা গিয়েছে, এদিন মধ্যাহ্নভোজের পর রবীন্দ্র ভবনের কোণার্ক, উদয়ন, পুনশ্চ, শ্যামলী ও উদীচি— রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য এই পাঁচটি বাড়ি পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। ঘরে দেখবেন কলাভবন। বিশ্বভারতী সূত্রে খবর, রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের হাতে তুলে দেওয়া হবে রবীন্দ্রনাথের আঁকা ছবির রেপ্লিকা। এদিন বিশ্বভারতী থেকেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন রাষ্ট্রপতি।






