শুভেন্দু অধিকারী যে কি করবেন তা ঠাওর করে উঠতে পারছেন না তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অনুগামীরাও। শাসকদল তৃণমূলের সঙ্গে ক্রমে দূরত্ব বাড়ছে রাজ্যের দাপুটে মন্ত্রী তথা দুঁদে রাজনীতিক শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। তার একের পর এক বক্তব্যে সিঁদুরে মেঘ দেখছে শাসকদল। অন্যদিকে আবার পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও তাঁকে গেরুয়া শিবিরে প্রবেশ করার ওপেন ইনভিটেশন দিয়েই রেখেছে। বঙ্গ রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় গুঞ্জন শেষ মুহূর্তে ঘুঁটি বদল হবে না তো?
দলের একাংশের বিরুদ্ধে শুভেন্দুর বিভিন্ন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য বিধানসভার প্রাক্কালে রাজ্য রাজনীতির চর্চায় এনেছে অন্য জল্পনা। তবে তিনি যে বিজেপিতে যাবেন এমন কথা নিশ্চিত হয়ে বলতে পারছেনা রাজনীতিতে পোড়খাওয়া কোনও বিশেষজ্ঞও! গত সোমবার রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী একটি প্রশাসনিক কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে সমস্ত গুঞ্জনে জল ঢালেন। তবে এই টালমাটাল অবস্থায় জল্পনা আরও উস্কে দিল অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গড় বলে পরিচিত বীরভূমে শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে পোস্টার।
আর যা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোড়ন ফেলেছে বীরভূমের রাজনীতিতে। এই মুহূর্তেই দুই মেদিনীপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে লাগাতার বেনামী পোস্টার পড়ছে। যেখানে লেখা ‘ আমরা দাদার অনুগামী।আর এবার এই পোস্টার পড়ল বীরভূমের সিউড়িতে।
সোমবার সন্ধ্যা থেকেই সিউড়ি শহর জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় ‘শুভেন্দু অধিকারী জিন্দাবাদ। আমরা দাদার অনুগামী’ লেখা পোস্টার। আর সিউড়ি শহরে এমন পোস্টার রাজনৈতিক ভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। শুভেন্দুর নামে এই পোস্টার সিউড়িতে কে বা কারা সাটালো তা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। সোমবার হঠাৎ সন্ধ্যা থেকে এই পোস্টার লক্ষ্য করা যায়। আর তারপর থেকেই শহর জুড়ে শুরু হয় জল্পনা। যদিও এবিষয়ে সিউড়ি শহর তৃণমূলের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, “এই সবকিছু উটকো লোকের কাজ। বিতর্ক উসকে দেওয়ার জন্য সমস্ত কাজটাই বিরোধীদের । শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেরই একটি অংশ। তিনি রাজ্যের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। তিনি তো কখনও মুখ ফুটে কিছু বলেননি। তাদের কাজে পুরো বিষয়টি বীরভূম জেলা সভাপতি দেখছেন।”





