রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের সবচেয়ে ‘বিতর্কিত’ নেতা তিনিই। বিভিন্ন সময় তাঁর একাধিক মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। তেমনই বীরভূমের কেষ্ট’র ‘শুঁটিয়ে লাল করে দেবো’ মন্তব্যও অত্যন্ত জনপ্রিয়।
ফের তাঁর মুখ থেকে এই ধরনের মন্তব্য শোনা গেল। ফুরফুরা শরিফের জনসভা থেকে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির উদ্দেশ্যে একের পর এক বাক্য বিস্ফোরণ ঘটালেন তৃণমূলের অনুব্রত মণ্ডল। এই অনুষ্ঠানে এদিন অনুব্রত’র সঙ্গে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম ও তহ্বা সিদ্দিকিও l
অনুব্রত বলেন, ২০২১ সালে ফের একবার তৃতীয় বারের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবে। একটা দল বাংলায় হিংসা ছড়াতে চাইছে। কিন্তু বাংলার মানুষ তা হতে দেবে না। বাংলায় সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খেলা হবে। শুঁটিয়ে লাল করে দেওয়া হবে। এদিন অনুব্রতর নিশানায় ছিলেন আব্বাস সিদ্দিকিও। সম্প্রতি তিনি নতুন দল এনেছেন। রাজ্যের অন্তত ৪৫টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনে প্রার্থী দিতে পারেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। এমন অবস্থায় তৃণমূলের ভোট কাটার আশঙ্কা রয়েছে। যদিও এই জনসভা থেকে আব্বাস সিদ্দিকিকে কোনও গুরুত্ব দিতে নারাজ অনুব্রত মণ্ডল। প্রকাশ্যে সভায় তিনি আব্বাসকে দু পয়সার নেতা বলে কটাক্ষ পর্যন্ত করে বসেন। এদিন অনুব্রতর নিশানায় ছিলেন দলত্যাগী নেতারাও। শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রবীর ঘোষালের মতো তৃণমূল ত্যাগীরাও।
প্রসঙ্গত নিজের বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বারবার বিতর্কে জড়ান অনুব্রত। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়েও কটু মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, আইন তুলে নিতে পারতেন, কিন্তু নেননি। ওই সভায় তিনি বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বাবারও ক্ষমতা নেই দোষীদের ছাড়াবে!





