প্রথম পর্যায়ে করোনা যোদ্ধাদের টিকার খরচ দিচ্ছে পিএম কেয়ার তহবিল, বরাদ্দ করা হল দু’হাজার দু’শো কোটি

গত সোমবারই পেশ হয়েছে এ বছরের বাজেট। এই বছর বাজেটে করোনা টিকাকরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সেই টাকা সরকার চলতি অর্থবর্ষ অর্থাৎ ১ এপ্রিল শুরুর আগে ব্যবহার করতে পারবে না। কিন্তু এদিকে গত ১৬ই জানুয়ারি থেকেই দেশে গণটিকাকরণ শুরু হয়ে গিয়েছে। তাহলে এই পর্যায়ের টিকাকরণের খরচ আসবে কোথা থেকে? সেই প্রশ্নেরই উত্তর মিলল এতদিনে।

প্রথম পর্যায়ে যে টিকাকরণ শুরু হয়েছে, সেই কর্মসূচীতে প্রথমে সকল স্বাস্থ্যকর্মী-সহ করোনা যোদ্ধাদের করোনার টিকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ লক্ষ টিকাকরণের কাজ শেষ হয়েছে। এই পর্যায়ের টিকার খরচ দিচ্ছে পিএম কেয়ার তহবিল। প্রথম পর্যায়ের টিকাকরণের জন্য পিএম কেয়ার তহবিল থেকে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই টাকাই জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত টিকাকরণের খরচ জোগাবে। এই কর্মসূচীর জন্য পিএম কেয়ার তহবিল থেকে মোট খরচের ৮২ শতাংশ ধার্য করা হয়েছে।

এই বিষয়ে সরকারী ব্যয় সচিব টি ভি স্বামীনাথন বলেন যে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত টিকাকরণের খরচের বরাদ্দ গত বছরের বাজেটে ধরা ছিল না। তাই এই খরচ পিএম কেয়ার তহবিল ও স্বাস্থ্যমন্ত্রক বহন করছে। তিনি আরও জানান যে ৩ কোটি করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণের জন্য মোট খরচ হবে ২৭০০ কোটি টাকা। এই মধ্যে ৪৮০ কোটি টাকা সরকারী তহবিল থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে দেওয়া হয়েছে। আর বাকী ২হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার তহবিল থেকে।

পিএম কেয়ার তহবিলের টাকা কীভাবে কোন খাতে খরচ হচ্ছে, এ নিয়ে বিরোধী পক্ষের তরফে বারবার প্রশ্ন করা হয়েছিল। এবার করোনার টিকাকরণের জন্য এই টাকা ব্যয় করা হচ্ছে জেনে সেই বিতর্ক কিছুটা লাঘব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এবার এই প্রশ্নের সদুত্তর মিলবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

অন্যদিকে, এও জানা যাচ্ছে যে খুব শীঘ্রই ভারতে অন্য একটি টিকাও ছাড়পত্র পেতে চলেছে। মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত হওয়া একটি তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার করোনা টিকা স্পুটনিক ভি প্রায় ৯১.৬ শতাংশ কার্যকরী। জরুরি ভিত্তিতে এই টিকাকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে।

RELATED Articles