আনিস হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিতর্কের আঁচ বেড়েই চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে গঠন করা হয়েছিল সিট। এরপরই সাসপেন্ড করা হয় তিন পুলিশকর্মীকে। এরপর গতকাল, বুধবার নবান্নের তরফে জানানো হয়েছিল যে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা ও সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
তবে এরপরও সিবিআই তদন্তের দাবীতে অনড় ছিল আনিসের পরিবার। আর এরপর ধৃত কাশীনাথ বেরার স্ত্রী রাখি বেরাও দাবী করেন যে তাঁর স্বামীকে ফাঁসানো হচ্ছে। উঁচুতলার কর্তাদের বাঁচানোর জন্য নিচুতলাকে বলি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে সিবিআই তদন্তের দাবী তোলেন তিনিও।
এরপর আজ ধৃত কাশীনাথ বেরা ও প্রীতম ভট্টাচার্যকে আদালতে পেশ করার সময় বিস্ফোরক দাবী করেন তারা। তারা দাবী করেন, “আমাদের বলির পাঠা করা হচ্ছে। আমাদের গ্রেফতার করে আনিস হত্যাকাণ্ডের আগুনে জল ঢালা হচ্ছে”। তারা এও জানান, “ওসির অর্ডারেই ওখানে গিয়েছিলাম। আমাদের পাঠানো হয়েছিল”।
তবে কীভাবে মৃত্যু হল আনিসের? তাঁকে কী পুলিশই ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় নাকি সে নিজে পড়ে গিয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর উত্তরে ধৃতরা বলেন, “আমি ওখানে ছিলাম না। কী হয়েছিল বলতে পারব না”।
আনিসকাণ্ডে গোটা রাজ্য তোলপাড়। দফায় দফায় প্রতিবাদ জানানো হয়েছে বামেদের তরফে। ধৃতদের দাবী বড় মাথারা এই কাণ্ডে জড়িত। তাহলে তারা কারা? সত্যিই কী উঁচুতলাকে বাঁচাতে নিচুতলাকে বলি করা হচ্ছে? এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তরই অধরা।





