করোনা সংক্রমন রুখতে দেশে এখন লকডাউন জারি হয়েছে। এই সময় রাজ্যের তরফ থেকে মানুষজনকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক মানুষই এই সময় যথার্থ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পাচ্ছেন না। তাই তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা। কিন্তু এই করোনার মধ্যে অনেক নেতা মন্ত্রীরাই অভিযোগ করেছেন যে সরকার তাদের ত্রাণ বিতরণে বাধা দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত কিছুদিন আগে বিধাননগর এলাকায় ত্রাণ বিলি করার সময় সব্যসাচী দত্তকেও পুলিশ বাধা দিয়েছিল। এবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে ত্রাণ বিলিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল।
বিজেপি সূত্রে খবর, আজ সকালে হিলিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন সুকান্তবাবু। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল, ওই এলাকার হালহকিকত খতিয়ে দেখা। কিন্তু বেলা দশটা নাগাদ পুলিশ তাঁকে বালুরঘাটের মঙ্গলপুর এলাকার ডিএভি স্কুলের সামনেই আটকে দেয়। এরপর তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা হয় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়-এর। বিজেপি সাংসদের দাবি, রাজনৈতিক কারণেই তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছে। সরকার শুধু তাদের নিজেদের দলের লোককে ত্রান বিতরণের অনুমতি দিচ্ছেন।
পুলিশ সূত্রে অবশ্য দাবি, কোনো সাংসদ কোথাও গেলে লকডাউন অমান্য করে ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই কারণেই তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সভানেত্রী অর্পিতা ঘোষ বলেছেন, সুকান্তবাবুর উচিত ছিল আগে জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে নেওয়া। তাহলে তাঁকে এইরকম অবস্থায় পড়তে হতো না।





