জমে উঠেছে ভোট যুদ্ধ। দেশের ফলাফলের পাশাপাশি চমকে দিচ্ছে বাংলার ভোটের ফলাফল। অনেকেই হয়ত অন্যরকম আশা করেছিলেন। কিন্তু সবার সমস্ত ভাবনা চিন্তাকে প্রায় উল্টেপাল্টে দিচ্ছে বর্তমান সময়ে চলা ভোটের গণনা। বাংলার বেশ কিছু লোকসভা কেন্দ্রকে নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই রকমই একটি আসন ছিল বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র।
কিন্তু বলাই বাহুল্য, সন্দেশখালি ঘটনার পরবর্তী সময় যেখানে প্রায় অনেকেই ভেবেছিল তৃণমূল এবার এই লোকসভা কেন্দ্রে অস্ত যাবে। তবে সেই লোকসভা কেন্দ্রেই যেন নতুন করে প্রাণ পেল শাসক দল। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাস থেকে শিরোনামে উঠে আসে সন্দেশখালি। উত্তর ২৪ পরগণার সন্দেশখালি আদতে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। আর এই সন্দেশখালিতে ব্যাপক ঝামেলার পর কাকে প্রার্থী করবে তৃণমূল কংগ্রেস সেই নিয়ে কিন্তু জোর চর্চা শুরু হয়েছিল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিজেপির তরফে যেখানে প্রার্থী হিসেবে সন্দেশখালি আন্দোলনের মুখ রেখা পাত্রকে দাঁড় করানো হয় সেখানেই তৃণমূলের প্রার্থী হন হাজী নুরুল ইসলাম। অনেকেই ধারণা করেছিলেন এবার হয়তো সন্দেশখালির ঘটনার জেরে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র হতে চলেছে রেখার। কিন্তু আজ ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই বদলাতে থাকে ছবিটা। প্রাথমিক পর্যায়ে রেখা এগিয়ে থাকলেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে রেখাকে মাত দিয়েছে নুরুল।
রেখা এবং নুরুলের মধ্যে সংখ্যার ব্যবধান এখন ব্যাপক। ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। এই বিপুল ব্যবধান মেটানো কার্যত সহজ কাজ হবে না রেখার পক্ষে। উল্লেখ্য, মনে করা হচ্ছে, বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে ফের একবার সবুজ রংয়ের আবির উড়তেই দেখা যাবে। তৃণমূল বিজেপির পাশাপাশি এই লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছিল বামেরাও। সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দার দাঁড়িয়েছিলেন এই লোকসভা কেন্দ্রে। যদিও ভোট গণনার পর থেকে তিনি পিছিয়েই রয়েছেন।





