মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে বিজেপি কর্মীদের আটক করার প্রতিবাদে শনিবার সকালে হাওড়া থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হল রাজ্য বিজেপির তরফে। পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, যত বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসছে শাসকদল বুঝতে পারছে যে ধীরে ধীরে তাদের পায়ের মাটি সরে যাচ্ছে। তাই বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জোর করে গ্রেফতার করে রাখা হচ্ছে শাসক শিবিরের দলদাস পুলিশের তরফে।
রাজ্যের আইন শৃংখলার অবনতি এবং বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করার অভিযোগে আজ হাওড়া থানায় ঘেরাও বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয় রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে, সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির দুই সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এবং সঞ্জয় সিং, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি রাজু ব্যানার্জী, রাজু সরকার এবং সুরজিৎ সাহার মত উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দ।
প্রচুর বিজেপি কর্মী সমর্থক মিছিলে যোগ দেন। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য পুলিশ যা করে আসছে তাই করে, ব্যারিকেড করে সেই মিছিল আটকে দেওয়া হয়। এরপর বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় বসে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন।
সায়ন্তন বসু বলেন, “কেবলমাত্র বিজেপি করার অপরাধে মিথ্যা মামলায় আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। আদালতে জামিন পাওয়ার পরেও অন্যান্য মামলাতে বিজেপি কার্যকর্তাদের গ্রেফতার করছে পুলিশ। আমাদেরও সহ্যের একটা সীমা আছে। আমরা যদি প্রতিশোধ নিতে শুরু করি তাহলে তৃণমূলের কোনও নেতা কর্মী জেলের বাইরে থাকবে না।”
এছাড়াও এক বিজেপি কর্মীকে আটক করে রাখা প্রসঙ্গে সায়ন্তন বসু বলেন, “মহম্মদ দুবেকে না ছাড়া হলে আগামী দিনে পুনরায় আরও কর্মী এনে আন্দোলন করা হবে। তখন মহামারী আইন মানব না।”
রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “পুলিশ চুড়ি পরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই রাজ্যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই কেবল পুলিশি সন্ত্রাস চলছে। বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কেস দেওয়া হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী মাসের ৪ তারিখ হাওড়াতে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!