করোনার দ্বিতীয় ঢেউ-এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। বাংলার পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার জন্যও অনেকাংশেই নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা দায়ী বলে মনে করছেন আমজনতা।
দেশে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মহারাষ্ট্র ও দিল্লি। রাজধানীতে দাহ করার জন্য কাঠও এখন অমিল। বিধানসভা নির্বাচনের আবহে বাংলার অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। হাসপাতালে শয্যা নেই, পাওয়া যাচ্ছেনা অক্সিজেন, রেমডিসিভিরের মতো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ওষুধ টুকুও।
আরও পড়ুন- বলিউডের মানবিক মুখ, ১০০ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর দান করলেন অক্ষয়-টুইঙ্কেল জুটি!
এই অবস্থায় পশ্চিমবাংলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ্যে এলো। গতকাল অর্থাৎ বুধবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন অর্থাৎ গতকাল যত পরিমাণ লোকের করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তার মধ্যে এক তৃতীয়াংশ লোকের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
সেইসঙ্গে ভয় ধরানো আরও এক তথ্য প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, বর্তমানে রাজ্যে প্রতি ঘন্টায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও এটি সরকারি হিসেবে। বেসরকারি হিসেব মতে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি।
রাজ্য সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ৫৪,৯৩৬টি নতুন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছ। এর মধ্যে ১৭,২০৭ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অর্থাৎ প্রতি ৩ জনের মধ্যে একজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসছে।
আরও পড়ুন- ‘এর আগে এত শান্তিপূর্ণ ভোট কোনওদিন দেখিনি’ সকাল সকাল ভোট দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী
সরকারি হিসাব মতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭,২০৭ জন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। ৭৭ জনের মৃত্যু হয়। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় রাজ্যে গড়ে ৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যাচ্ছেন।
অভিযোগ উঠছে সরকারি হিসেবে মৃত্যু এবং আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমিয়ে বলা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই মুহূর্তে শুধু দক্ষিণ কলকাতাতেই থেকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দেড় লাখের বেশি। আর দেশ জুড়ে সেই সংখ্যাটা প্রায় ৫০ কোটির কাছাকাছি।





