আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে আজ, মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয় ছাত্র সমাজের তরফে। এই আন্দোলনকে প্রতিহত করতে নবান্নগামী নানান রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে পুলিশ। তবে আটকানো যায়নি মিছিলকে। ব্যারিকেড সরিয়েই এগিয়ে যেতে থাকে মিছিল।
মিছিলের শুরুতেই আন্দোলনকারীদের উপর জলকামান ছোঁড়া শুরু করে পুলিশ। এরপর ফাটানো হয় একের পর এক কাঁদানে গ্যাসের শেল। এক পর্যায়ে গিয়ে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। পাল্টা জবাব দেয় আন্দোলনকারীরাও। পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় ইট। অনেক পুলিশ কর্মীই আহত হয়েছেন এর ফলে।
জনসাধারণের উপর পুলিশের এই অত্যাচারের প্রতিবাদে আগামীকাল, বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন্ধের ডাক দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শুধু তাই নয়, এদিনের এই আন্দোলনে যে সমস্ত মানুষ আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করবে পুলিশ, এমনটা জানানো হয়েছে। এই আন্দোলন থেকে বেশ কয়েকজনকে আটকও করেছে পুলিশ। ধৃতদের মুক্ত করার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে।
এদিন পুলিশের উদ্দেশে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পুলিশকে আমি আবার বলব হেস্টিংস ও এমজি রোডে পুলিশ যেভাবে ধরপাকড় করছে বন্ধ করুন। আপনারা সামলাতে পারবেন না। সাঁতরাগাছির জনতাকে ভিডিয়ো কল করে অনুরোধ করেছি সাধারণ পুলিশ কর্মী এবং ছাত্র সমাজ সহ নিরীহ জনগণ তাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন। পুলিশের জল কামানের জল শেষ। গ্যাস শেষ। তাঁরা বাধ্য হত গুলি করতে। এই পরিস্থিতিতে আমি সাঁতরাগাছির জনতাকে ভিডিয়ো কল করে অনুরোধ করেছি, যে সাধারণ নিচের তলার পুলিশের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। তাঁদেরও স্ত্রী আছে, মা আছে, বোন আছে। আমরা চাই না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজীব কুমারদের ভুল পলিসির জন্য তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হন”।
এর আগে আজ, মঙ্গলবার বিধানসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “অত্যাচার বন্ধ করুন, তা নাহলে আগামীকাল পশ্চিমবঙ্গ স্তব্ধ করে দেব”। তেমনটাই করল বিজেপি। আগামীকাল, বুধবার ১২ ঘণ্টার বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে গেরুয়া শিবিরের তরফে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!