কাল বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। মহাযুদ্ধের অন্তিম দিন। এখনও পর্যন্ত বিজেপির তরফে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। বিজেপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে কার্যত সারপ্রাইজ পাবে রাজ্যবাসী।
প্রথম থেকেই উত্তরপ্রদেশের মতোই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখেই লড়াই চালিয়ে গেছে গেরুয়া শিবির।
আরও পড়ুন- কোভ্যাকসিন নাকি কোভিশিল্ড? কোনটা বাছবেন? কোন টিকা বেশি কার্যকরী? পড়ে নিন
বঙ্গ বিজেপির আশা তাতেই কাজ হবে। কাল বাংলার মসনদে বসবে বিজেপি।
কালকের ভোট গণনায় দু’শোর কাছাকাছি আসন পাবে দল। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য নেতারা। একেবারে শেষ পর্যন্ত বুথ ফেরত সমীক্ষা থেকে আসা রিপোর্ট অনুযায়ী, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি বলে মনে করছেন রাজ্য বিজেপি নেতারা।
যদিও উল্লেখ্য, বুথ ফেরত কোন সমীক্ষায় এখনো পর্যন্ত দাবি করেনি বাংলায় বিজেপি দু’শোর বেশি সিট পাবে। বেশিরভাগ সমীক্ষাতেই ধরা পড়েছে ফের রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। তবে হ্যাঁ আসন সংখ্যা কমছে। কাল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে বিজেপির সঙ্গে। তবে বিজেপির বঙ্গ বিজয় এখনই নয়।
আরও পড়ুন- এবার বন্ধ হচ্ছে যান চলাচল, বাস-মিনিবাস বন্ধ থাকবে টানা তিনদিন
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্’র অনুমান যে খুব একটা বৃথা হয় তা বলা যায় না।
যেমন গত লোকসভা নির্বাচনের সময় অমিত শাহ্ বলেছিলেন, রাজ্যে ২৩টি আসন জিতবে বিজেপি। তাঁর তথ্য অনেকটাই মিলে গিয়েছিল। ১৮টি লোকসভা আসন জিতে গিয়েছিল বিজেপি। বিদ্যুৎ গতিতে উত্থান হয় পদ্ম শিবিরের। বদলায় বঙ্গ রাজনীতির সমীকরণ। গত লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় ১৭টি জনসভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর এবার বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মোট ২০টি সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
একটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী এই ধরনের প্রচার রেকর্ড বলা যায়। বঙ্গ জিততে যে ঠিক কতটা মরিয়া বিজেপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলার মাটি আঁকড়ে পড়ে থাকা থেকেই স্পষ্ট।
বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের এইরকম দামাল প্রচার-প্রচারণা যে এবার বিজেপির ভোট বক্সে কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলবে তা না বললেও চলে। আর সেই ফলাফল বিজেপিকে বাংলার মসনদে বসে কিনা তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে কাল।





