বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের উত্তাপ যেনও মিটেও মিটছে না। তৃণমূল-বিজেপি নেতা কর্মীদের সংঘর্ষ এখনও বহাল। এরই মধ্যে এক অদ্ভুত দাবির কথা জানা গেছে। আর যা নিয়ে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে শ্রীরামপুর এলাকার বৈকন্ঠপুর পঞ্চায়েতে।
ঘটনা কী? বিজেপির এক বুথ সভাপতিকে বাবা বলে ডাকার নিদান দিয়েছেন এক তৃণমূল কর্মী বলে অভিযোগ উঠেছে।
কিন্তু ওই তৃণমূল কর্মীকে এই নামে ডাকতে পারবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন বিজেপির বুথ সভাপতি সাগর পণ্ডিত। আর এরপরই বাঁধে ধুন্ধুমার। ওই বিজেপি বুথ সভাপতিকে বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের ওই কর্মীর বিরুদ্ধে।
এত নাম থাকতে হঠাৎ করে কেনও বাবা ডাকতে হবে তৃণমূল কর্মী? আক্রান্ত বিজেপির বুথ সভাপতি সাগর পণ্ডিতের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলী হামলার ভয়ে অন্যান্য অনেকের মতো তিনিও ঘর ছাড়েন।
তবে কিছুদিন আগেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ও পুলিশের সহায়তায় তিনি গ্রামে ফেরেন। কিন্তু বুধবার কাজে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী বিমান ঘোষ তাঁর পথ আটকায়। এরপরই ফের নির্বাচন-পরবর্তী হামলা স্মৃতি উস্কে শুরু হয় তাঁর হেলমেট খুলে বেধড়ক মার। ফাটিয়ে দেওয়া হয় মাথা।
তারপরই বিজেপি বুথ সভাপতিকে নিদান দেন তিনি। এই এলাকার বাপ বিমান ঘোষ। আর সেই জন্যই এবার থেকে তাকে বাবা বলে ডাকতে হবে! কিন্তু বিজেপি কর্মী সেই দাবি মেনে নেননি, মানবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়েও দেন। আক্রান্ত বিজেপির বুথ সভাপতির কথায়, ‘বিমান ঘোষ নাকি এলাকার বাপ। সেকারণে ওকে বাবা বলে ডাকতে বলেছিল। কিন্তু সেটা মানিনি। তাতেই ওর রাগ।’
আরও পড়ুন-রাজনীতির সৌজন্যে! মুকুল রায়ের করোনা আক্রান্ত স্ত্রী’র শারীরিক অবস্থা জানতে ফোন নরেন্দ্র মোদীর
এই ঘটনার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের আবেদন জানিয়েছেন ওই বিজেপি কর্মী। তাঁর আবেদন ‘দিদি আপনি কেবল তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী নন। গোটা রাজ্যবাসীর মুখ্যমন্ত্রী। আপনার উপরই রাজ্যবাসীর সুরক্ষা। আপনি দয়া করে এব্যাপারে পদক্ষেপ করুন।’
যথারীতি এই ঘটনার সমস্ত দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।





