দলীয় নেত্রীর সঙ্গে জোর করে স’হ’বা’স ও মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় ওই বিজেপি নেতাকে। ৪ দিনের পুলিশি হেফাজত হয়েছে ওই নেতার। লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে এমন এক ঘটনায় বেশ অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির।
কোথায় ঘটেছে এমন ঘটনা?
ঘটনাটি ঘটেছে তমলুকে। সূত্রের খবর, তমলুক জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক দেবকমল দাসের বিরুদ্ধে এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন দলেরই নেত্রী। তিনি বিজেপি তমলুক সাংগঠনিক জেলার মহিলা শাখার সদস্য। বিজেপি নেতা ও তাঁর সাগরেদদের বিরুদ্ধে জোর করে স’হ’বা’সের অভিযোগ তোলেন ওই মহিলা নেত্রী।
এই ঘটনায় তমলুক থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন ওই নেত্রী। কিন্তু নির্যাতিতা ওই নেত্রীর অভিযোগ, তাঁকে এই মালা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হতে থাকে। এমনকি, তমলুক নগর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ বেরা তাঁকে খু’নের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন বলে দাবী ওই নেত্রীর।
মহিলা নেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতেই দেবকলল দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতকে তমলুক মহকুমা আদালতে তোলা হলে তাঁকে ৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। তবে এই ঘটনা প্রসঙ্গে তমলুক নগর মন্ডলের সভাপতি সুকান্ত চৌধুরী জানিয়েছেন, “মিথ্যা মামলায় আমাদের নেতাকে ফাঁসানো হয়েছে। অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন”।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত দেবকমল দাস পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে তিনি তমলুকের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্টিমারঘাট এলাকার বাসিন্দা। ২০২০ সালে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। বর্তমানে ওই নেতা বিজেপির তমলুকের সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। সেই নেতার বিরুদ্ধেই দলেরই নেত্রীকে নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠল।





