মহাদুর্যোগের পরেই উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। শাসকের ব্যার্থতা তুলে ধরতে সচেষ্ট সব বিরোধী পক্ষই।শাসক-বিরোধী দ্বন্দ্ব থাকবেই, কিন্তু তা এখন অন্যমাত্রায় চলে গিয়েছে। ফিরহাদ হাকিমকে বাসী মেয়র আখ্যা দেওয়ার পর এবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ নিশানা করলেন তৃণমূলের আর এক ডাকসাইটে মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
দিলীপ ঘোষের কথায়, সেচমন্ত্রী থাকাকালীন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সুন্দরবনে গিয়ে শুধু ছবি তুলেছেন। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ২০০৯-এ ঘূর্ণিঝড় আয়লায় সুন্দরবন বিধ্বস্ত হওয়ার পর ১০ বছরে কোনও উন্নতিই হয়নি। এ জন্য দায় এড়াতে পারেন না তৃণমূলের মন্ত্রীরা। এতদিন শুধু কাজের বাহানায় ছবি তুলে ফিরেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বনমন্ত্রী। এর আগে দীর্ঘদিন সেচ দফতর সামলেছেন তিনি। তখনই আলয়া বাঁধ নির্মাণের জন্য টাকা এসেছে ঘনঘন। কিন্তু সেই টাকায় নদী বাঁধ সংস্কার হয়নি। নদী বাঁধ তৈরির টাকা আত্মসাৎ করেছেন মন্ত্রী। আর সেই কারণেই আজ ঘূর্ণিঝড়ের জেরে প্লাবিত হয়ে গিয়েছে সব জায়গা। এত বড় ক্ষতির পিছনে তৃণমূলের অযোগ্য মন্ত্রীরাই দায়ী।
দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার জন্যই আজ রাজ্যে সংকট তৈরি হয়েছে। বাঁধ নির্মাণের কাজ হয়নি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা ঝড়ের মোকাবিলার জন্যও কোনও কাজ করেনি রাজ্য সরকার। শুধু শিলান্যাস হয়েছে, আর ছবি তোলা হয়েছে। আম্ফানই প্রমাণ করে দিয়ে গিয়েছে, রাজ্যর উন্নয়ন শুধু সাজানো।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয়পাত্র রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়েরও কড়া সমালোচনা করে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেছেন, রাজ্যের বড় ক্ষতির জন্য তৃণমূলের অযোগ্য মন্ত্রীরাই দায়ী। এজন্য তিনি তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন। সেই তালিকাও বেশ লম্বা।





