সামনে বড় পরীক্ষা। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বাংলায় এমন পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতা বিজেপির প্রায় নতুন বললেই চলে। আর পরীক্ষার এই অন্তিম মুহূর্তে গেরুয়া শিবিরের শেষ ভরষা হয়ে দাঁড়িয়েছেন তাই তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা মুকুল রায় (Mukul Roy)। বর্তমানে যিনি এখন বিজেপি’র সর্বভারতীয় সহ সভাপতিও বটে।
বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) সঙ্গে তার মনকষাকষি থাকলেও তার মতো শান্ত মাথার রাজনৈতিক নেতা মেলা ভার। আর তাইতো তিলোত্তমায় দাঁড়িয়ে রাজ্যে কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় (Kailash Vijayvargiya) বলেছিলেন, আসছে একুশের ভোটে মুকুলই প্রধান কারিগর।
আর বিজয়বর্গীয়র এহেন দাবিই এবার ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। মদন, মুকুল, মমতা এই তিনজনের নামেই একসময় চলত তৃণমূল। তৃণমূলকে প্রায় এক আর হাতে শক্ত করেছিলেন রাজনীতিতে পোড়খাওয়া মুকুল রায়। অতীতে হাতে–কলমে অনেকগুলি নির্বাচন সামলেছেন তিনি। তিনি নির্বাচনের মাস্টার ম্যানেজার বলে রাজ্য–রাজনীতিতে একটা পরিচিতি আছে। বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুল ম্যাজিক যে এখনও চলে তা লোকসভা নির্বাচনে টের পেয়েছিল বাংলার বিজেপি নেতৃত্ব।
আর এবার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (assembly election) আগে সেই ম্যাজিককেই ফের কাজে লাগাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। সাধারণত বিজেপি’র কেন্দ্রীয় পদাধিকারীদের নিজেদের রাজ্যে বড় দায়িত্বে রাখা হয় না। তবে সহ সভাপতি হিসাবে মুকুলবাবুর কী দায়িত্ব হবে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখনও পর্যন্ত তা নির্দিষ্ট করেনি। তাই মনে করা হচ্ছে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে এই রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় কাজে লাগানো হবে।
লোকসভা নির্বাচনের আগেও তৃণমূলে থাকা সৌমিত্র খান, অনুপম হাজরা, অর্জুন সিং থেকে শুরু করে সিপিএমের খগেন মুর্মু পর্যন্ত অনেককেই মুকুলবাবুর সাজানো ছকে বিজেপিতে যোগ দিতে দেখা গিয়েছিল। আর সেই ফসল ঘরে তুলতে পেরেছিলেন তিনি।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!