অপমান করেছেন নগরপাল ফিরহাদ হাকিম, এই অভিযোগ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের এর কাছে নালিশ ঠুকতে গেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেখানেই শোভন বলেছিলেন, ‘আল আমিন কলেজ থেকে বৈশাখীকে উপড়ে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কলেজ কারও অ্যাজেন্ডা পূরণের জায়গা নয়। সরকারের আত্মসমালোচনা করা উচিত। রাজ্যপাল সহানুভূতির সঙ্গে গোটা বিষয়টি শুনেছেন।’
আর যার ফল স্বরূপ মিল্লি আল আমিন কলেজ থেকে রামমোহন কলেজে বদলি করা হল বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়কে।
আর যা নিয়ে মিডিয়ার সামনে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘বদলি মানছি না। এটা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ।’ ইতিমধ্যেই, বদলির নির্দেশিকা নিয়ে সরব হয়েছেন বৈশাখী।
অভিযোগের সুর ঝরিয়ে নিয়ে তিনি আরও বলেছেন, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কলেজের সামনে আন্দোলন করা হচ্ছে। আমি তো পদ ছেড়ে দিয়েছি, পোস্টারে কেনও আমার নাম। পড়ুয়াদের কেনও বিপথগামী করা হচ্ছে, তদন্ত হোক। ফিরহাদ হাকিমের কী অধিকার আছে?ওঁর কী অধিকার আছে আমাকে উৎখাত করার? ফিরহাদ হাকিম আমাকে চাকরি দেননি।’
বৈশাখী অভিযোগ করে জানিয়েছেন, ফিরহাদ তাঁকে কলেজ থেকে উৎখাতের হুমকি দিয়েছেন। উল্লেখ্য, রাজভবনে আসার আগে বৈশাখী বলেছিলেন, ‘আমি যে কলেজের অধ্যক্ষ ছিলাম, সেই মিল্লি আল আমিন কলেজে দীর্ঘ দিন ধরে অচলাবস্থা চলছে। আমি জুন মাসে পদত্যাগ করা সত্ত্বেও সেই অচলাবস্থার দায় এখনও আমার উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। ওই কলেজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ এবং রাজ্যপাল পদাধিকার বলে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, তাই তাঁকে গোটা বিষয়টি জানাব।’





