সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কম নয়। গায়ে উর্দি না থাকলেও তাদের আচার-আচরণ, হম্বিতম্বি কখনও কখনও পুলিশদের থেকেও বেশি হয়ে যায়, এমন অভিযোগ আগেও এসেছে। এবার কল্যাণীর এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে উঠল তোলাবাজির অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব কলকাতা হাইকোর্ট দিল সিআইডিকে।
কল্যাণী পুরসভার এক কাউন্সিলর অভিযোগ করেন, ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে এক সিভিক ভলান্টিয়ার গাড়ি থেকে তোলাবাজি করেছেন। কাউন্সিলরের আরও অভিযোগ, কল্যাণী থানার আইসি ও এক পুলিশকর্মী এই ঘটনায় নিষ্ক্রিয়। নিজেদের দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করেন নি তারা।
এই নিয়ে অভিযোগ করেন ওই কাউন্সিলর। এরপরই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। গোটা ঘটনাটা সিআইডিকে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এই ঘটনার সঙ্গে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও উঠেছে, সেই কারণে নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তে যেন কোনও ফাঁক না থাকে, সেই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, মারধরের অভিযোগ নতুন কোনও ঘটনা নয়। বিজেপি থেকে শুরু করে কংগ্রেস, সিপিএম সমস্ত বিরোধী দলগুলিই বারবার অভিযোগ করে এসেছে যে এই সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশই তৃণমূলের ‘গুন্ডা’। এরা আসলে আধা সরকারি উর্দি পরা তৃণমূলের লোকজন।
সম্প্রতি, সিভিক ভলান্টিয়ারদের আসলে ঠিক কী কাজ, তাদের এক্তিয়ার কতটা, সে জানতে চেয়ে রাজ্য পুলিশকে নির্দেশিকা জারি করার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশিকা জারিও করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। এরই মধ্যে এবার সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে এল তোলাবাজির অভিযোগ। এর জেরে সিআইডিকে তদন্তভার দেওয়া হল।





