নিয়োগ দুর্নীতি (recruitment scam case) নিয়ে রাজ্যে ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা হয়েছে। এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের শাসকদলের একাধিক নেতার। জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এবার এই নিয়োগ দুর্নীতি (recruitment scam case) নিয়ে ফের একবার কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের।
পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি (recruitment scam case) নিয়ে সম্প্রতি বেশ জলঘোলা হচ্ছে। নতুন করে এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। নাম জড়িয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য-সহ ৮ নেতার। চাপে পড়ে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে রাজ্য। এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।
সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার আবেদন জানানো হলেও তা যায় বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চে। গত কয়েকদিন ধরেই চলছিল এই মামলার (recruitment scam case) শুনানি। আজ, শুক্রবার এই মামলার রায় দিল ডিভিশন বেঞ্চ।
এদিন সওয়াল-জবাবের পর আদালত যা রায় দেয়, তাতে বেশ ধাক্কা খায় রাজ্য। এর আগে রাজ্যের কাছে বিচারপতি প্রশ্ন রাখেন, কেন এই নিয়োগ দুর্নীতি (recruitment scam case) মামলায় সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন নেই। সেই অনুযায়ী রিপোর্ট চেয়েছিল আদালত। এরপর সব দেখেশুনে আজ, শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট রায় দেয় যে সিবিআই-ই এই নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করবে। অর্থাৎ সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ই বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ।
বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছিল, কেন রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল। আইনজীবী তথা বামনেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এই পদক্ষেপকে ‘তৃণমূল সরকারের বিলাসিতা’ বলে দেগেছিলেন। তাঁর কথায়, “আইনি অধিকার হলেও, নীতির প্রশ্ন আছে। দুর্নীতি (recruitment scam case) হয়েছে, তদন্ত হবে। জনগণের পয়সায় মামলা করে অপচয় করা হচ্ছে”।
প্রসঙ্গত, বেশ কিছু মাস আগে সিআইডির কাছে একটি চিঠি আসে যাতে পাহাড়ে নিয়োগ (recruitment scam case) নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই কারণে শিক্ষা দফতরের তরফে পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। কিন্তু প্রথমে সেই অভিযোগ নিতে রাজি হয়নি পুলিশ। পরে যদিও চাপে পড়ে এফআইআর নিতে বাধ্য হয়।





