গত শনিবার শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোট। আগামীকাল, মঙ্গলবার রয়েছে ভোট গণনা। আর এর ঠিক আগের দিন অস্থায়ী কর্মীদের নিয়ে এক বড় নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আর এই নির্দেশের জেরে ফের একবার শুরু হল হইচই।
অনেক সময়ই দেখা যায়, ভোট গণনার জন্য অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়োগ করা হয়। এই বিষয়টি নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন হাওড়ার বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী। আজ, সোমবার এই মামলার শুনানি ছিল আদালতে। আর এদিন এই মামলার এই বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
এদিন মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, বালি ও হাওড়া পুরসভায় ভোট গণনার কাজে চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। ডিসিআইসি-র গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেও অস্থায়ী কর্মীদের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইনজীবীর কথায়, “গণনায় যেখানে সব সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করার কথা সেখানে বেআইনিভাবে চুক্তি ভিত্তিক কর্মীরা কাজে নিযুক্ত থাকেন”।
তবে কমিশনের আইনজীবীর তরফে এই দাবী বিরোধিতা করা হয়। তিনি পাল্টা বলেন, “প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পোলিং অফিসারদের মধ্যে কেউই চুক্তিভিত্তিক কর্মী নন। গণনার কাজে চুক্তিভিত্তিক কাউকে নেওয়া হয়েছে, এমন কোনও প্রমাণ মামলাকারী দিতে পারেননি”।
এদিন দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, কোনও আংশিক সময়ের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, কোনও স্থানীয় কর্মী বা সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভোট গণনার কাজে নিয়োগ করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন মেনেই ভোট গণনার কর্মী নিয়োগ করতে হবে।
এদিন বিচারপতি এও কড়াভাবে জানিয়ে দেন, গাইডলাইন অনুযায়ী, যে সমস্ত জায়গায় অস্থায়ী কর্মীদের কাজে লাগানো হবে, তারা যাতে কোনওভাবেই ভোট গণনার টেবিলের ধারেকাছেও যেতে না পারে, সেদিকটা নিশ্চিত করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার এমন কাউকে নিয়োগ করতে পারবেন না। আদালতের তরফে কমিশনের সমস্ত বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!