ফের শিশু ধ’র্ষ’ণ রাজ্যে। বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে এক আড়াই বছরের শিশুকন্যার উপর চলল পাশবিক অত্যাচার। ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ উঠল শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া ব্লকের ঘোষপুকুর এলাকায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ এক ট্যাঙ্কার চালককে গ্রেফতার করেছে।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
জানা গিয়েছে, বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে বাড়ি লাগোয়া এক শিবমন্দিরে ওই আড়াই বছরের শিশুকন্যা তার সাত বছরের দাদার সঙ্গে খেলা করছিল। পাড়ার অনেকেই সেখানে ছিলেন। তবে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এক এক করে লোকজন চলে যান মন্দির থেকে। ওই শিশুকন্যা আর তার দাদা মন্দিরেই ঘুমিয়ে পড়ে।
অভিযোগ, সেই সময়ই কোনও ভাবে এক গাড়িচালক তুলে নিয়ে যায় ওই শিশুকন্যাকে। অনেকক্ষণ কোনও খবর না পাওয়ায় ওই শিশুকন্যাকে খুঁজতে শুরু করেন তার মা। বেশ খানিকক্ষণ পর ঘোষপুকুর সংলগ্ন একটি ট্রাক টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা ট্যাঙ্কারের নিচে শিশুটিকে পাওয়া যায়। তার পরনের জামাকাপড়ে রক্ত লেগেছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই শিশুকে ধ’র্ষ’ণ করা হয়েছে। শিশুটিকে উদ্ধারের পর তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই এখন চিকিৎসা চলছে তার। পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনায় ওই গাড়িচালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই গাড়িচালক ছাড়াও বেশ কয়েকজন এই ঘটনায় যুক্ত থাকতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের। গতকাল, মঙ্গলবার ধৃতদের শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হয়। তাদের নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।
এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, “অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। বিকৃতমনস্ক মানুষের পক্ষেই এমন পাশবিক ঘটনা ঘটানো সম্ভব। আমরা এর নিন্দা করছি”। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কীভাবে বারবার এমন ঘটনা ঘটছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।





