আর জি কর নিয়ে এখনও রাজ্যে উত্তেজনার অন্ত নেই। তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার এখনও কোনও কিনারা হয়নি। আদালতে বিচারাধীন সেই মামলা। এরই মধ্যে এবার আর জি করে দুর্নীতির মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। তাতে নাম রয়েছে পাঁচজনের
আগেই মনে করা হয়েছিল যে আর জি কর দুর্নীতি মামলার চার্জশিটে আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের নাম থাকতে পারে। আজ, শুক্রবার আলিপুর আদালতে সিবিআই এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়তে জানা গেল সত্যিই তাতে নাম উল্লেখ রিয়েছে সন্দীপের। তাঁকেই আর জি কর দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড বলে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সন্দীপ ছাড়াও এই চার্জশিটে নাম রয়েছে আরও চারজনের।
আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুন কাণ্ডের সূত্র ধরেই হাসপাতালে দুর্নীতির দিকটি সামনে আসে। আদালতের নির্দেশেই সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে সিবিআই। সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল সন্দীপ ঘোষকে। তাঁর বিরুদ্ধে হাসপাতালে মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, লাশ নিয়ে দুর্নীতি, পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র জাল, টাকা নিয়ে পাশ করানোর মতো নানান অভিযোগ ছিল।
হার্ড ডিস্ক, ল্যাপটপ, মোবাইল, মেমরি কার্ড-সহ প্রায় ১৮টি ডিজিটাল ডিভাইসের ‘ক্লোনিং’ করা হয়েছে বলে জানায় সিবিআই। সেই ডিভাইসগুলি খতিয়ে সিবিআই। এই ডিভাইসগুলিতে যে নথি রয়েছে, তা এই মামলার তদন্তে কাজে লাগতে পারে বলে অনুমান সিবিআইয়ের। ডিভাইস থেকে তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
সন্দীপ ঘোষের সঙ্গেই আরও তিনজনকে এই মামলায় গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। এরা হলেন আফসার আলি, বিপ্লব সিনহা ও সুমন হাজরা। এদের মধ্যে বিপ্লবের সংস্থা নানা হাসপাতালে চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ করত। আগেই তাঁর বাড়ি এবং সংস্থার অফিসে হানা দিয়েছিল সিবিআই। সুমিনের ওষুধের দোকানেও তল্লাশি চালায় সিবিআই। পরবর্তীতে এই দুর্নীতি মামলা সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ আশিস পাণ্ডেকেও গ্রেফতার করা হয়। বাকি চারজনের নামও থাকতে পারে চার্জশিটে, এমনটাই অনুমান।





