সারদা কাণ্ডে উঠে এল আরও এক নয়া দিক। সূত্রের খবর সিবিআই-য়ের হাতে এসে পৌঁছেছে এক চাঞ্চল্যকর অডিও ক্লিপ। জানা গিয়েছে, এই অডিও ক্লিপে রয়েছে একাধিক লোকের কণ্ঠস্বর। এই অডিও ক্লিপ সারদা কাণ্ডে নতুন দিক খুলে দেবে বলে আশা রাখছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দেকে পাঠানো হয়েছে প্রাক্তন তৃনমূল নেতা আসিফ খানকেও।
এই নতুন অডিও ক্লিপে কার কার গলার স্বর রয়েছে, তা খতিয়ে দেখবে সিবিআই। এছাড়াও, অডিও ক্লিপে কী কী কথা হয়েছে বা কী বিষয় নিয়ে এই আলোচনা, সারদা কাণ্ডের সম্পর্কে কতটা আলোচনা হয়েছে, তাও খতিয়ে দেখা হবে। এই অডিও ক্লিপের থেকে সারদা কাণ্ডের ব্যাপারে যদি কোনও নতুন তথ্য পাওয়া যায়, তা জানা হবে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়কে নিজের সম্পত্তি ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়। তাছাড়া, তাঁর ২০১৭-১৮ এবং ২০১৯-২০সালের আয়কর রিটার্ন ও ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কেনা সব সম্পত্তির হিসেব চেয়ে পাঠিয়েছে ইডি।
বলে রাখা ভালো, বেআইনি অর্থ লগ্নি সংস্থা সারদার আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় নাম জড়িয়ে পড়ে মুকুল রায়ের। তখন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা। ২০১৩ সালের ২৩শে এপ্রিল কাশ্মীরে সারদার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থার অন্যতম কর্ণধার দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। এই সময় সুদীপ্ত সেনদের গাড়ির চালক অরবিন্দ সিংহ চৌহান সিবিআইকে জানান, পশ্চিমবঙ্গ থেকে পালিয়ে কাশ্মীর পৌঁছন পর্যন্ত সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখেছিলেন মুকুল রায়।
সেই সময় মুকুল বহু নথি নষ্ট করেছিলেন বলেও অভিযোগ তোলেন এক পুলিশকর্তা। বেশ কয়েকবার নোটিস পাঠানোর পর ২০১৫ সালে সিজিও কমপ্লেক্সে মুকুল রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।





