পঞ্চমীর রাতে রাম মন্দির দর্শন করতে গেলেন কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। এদিন সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো মণ্ডপ দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানকার পুজোর পৃষ্ঠপোষক হলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। সেখানে গিয়ে মুখোমুখি হন দু’জন।
এই বছর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো মণ্ডপ সেজে উঠেছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের আদলে। পুজো মণ্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে বেশ খোশগল্পে মাতলেন কৌস্তভ ও সজল। সজলের কাঁধে হাত রেখেই চলল দেদার আড্ডা। স্ত্রী তানিয়া ঘোষের সঙ্গেও কৌস্তভের পরিচয় করিয়ে দিলেন এদিন সজল ঘোষ। কৌস্তভের সঙ্গে ছিলেন তাঁর বান্ধবীও।
রাজনীতির ময়দানে দু’জন একে অপরের প্রতিপক্ষ। একজন কংগ্রেসের সৈনিক ও অন্যজন গেরুয়া শিবিরের। কিন্তু দুর্গাপুজোতে সমস্ত রাজনৈতিক দূরতাকে দূরে রেখে এক হয়ে উঠলেন দুই নেতা। দু’জনকেই বশ খোশমেজাজেই দেখা গেল। যদিও এই নিয়ে বেশ চর্চা শুরু হয়েছে রাজনইতিক্ল মহলে। উঠেছে কৌস্তভের দলবদলের জল্পনাও।
আসলে সাম্প্রতিককালে দলের নানান বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন কৌস্তভ। দলের সমালোচনা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। সুর চড়িয়েছেন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একই মিছিলে হাঁটতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।
সেটি যদিও কোনও রাজনৈতিক মিছিল ছিল না। গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের মিছিলেই একসঙ্গে দেখা যায় শুভেন্দু ও কৌস্তভকে। তখন থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জল্পনা। কৌস্তভ কী বিজেপিতে নাম লেখাচ্ছেন? এমন প্রশ্নও উঠতে শুরু করে। যদিও কংগ্রেস নেতা স্পষ্ট জানান যে তিনি একজন আইনজীবী হিসেবেই ওই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। তা নিয়ে জল্পনা বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই বলেন জানান তিনি। তবে এবার বিজেপি নেতা সজল ঘোষের সঙ্গে তাঁর এমন ছবি দেখে কৌস্তভের দলবদলের জল্পনা ফের নতুন করে উঁকি দিল বলেই অনুমান করা যায়।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!