পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) হাত ধরেই তাঁর রাজনীতিতেও অভিষেক বলা যায়। রাজনৈতিক মহলেও তিনি পার্থর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। কিন্তু এখন এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam Case) গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এর জেরে এবার বেশ অস্বস্তির মুখে পড়েছেন কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত (Bappaditya Dashgupta)।
পুরসভার শেষ মাসিক অধিবেশনেও দেখা মেলেনি বাপ্পাদিত্যের। এই নিয়েও জল্পনা কম নয়। যদিও কাউন্সিলর জানান যে পারিবারিক সমস্যার জন্যই তিনি অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে পারেন নি। তবে রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে যে পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর বেজায় বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছেন বাপ্পাদিত্য। এমনকি, তিনি এও বলেন যে তিনি লজ্জায় মেয়ের কাছে মুখ দেখাতে পারছেন না।
পার্থর গ্রেফতার হওয়ার পর অস্বস্তির কথা স্বীকার করে নিয়ে বাপ্পাদিত্য জানান, “এই ঘটনায় আমি পারিবারিকভাবে স্তম্ভিত। আমার পরিবার ধাক্কা খেয়েছে। আমি মানসিকভাবে ধাক্কা খেয়েছি। মেয়ের কাছে মুখ দেখাতে লজ্জা লাগছে”।
গত ২২শে জুলাই পুরসভার শেষ মাসিক অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন না বাপ্পাদিত্য। তা নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। এই বিষয়ে তিনি বলেন যে ২১ শে জুলাইয়ের সমাবেশে বৃষ্টিতে ভেজার পরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তাছাড়া তাঁর বাড়িতে স্ত্রী ও মেয়ের কোভিড টেস্ট করাতে হয়েছিল। সেই কারণেই তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের খবর, পার্থর হাত ধরেই যেহেতু তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন, তাও পার্থর গ্রেফতারির জেরে বেশ অস্বস্তিতে রয়েছেন বাপ্পাদিত্য।
তিনি জানান যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। কাউন্সিলরের কথায়, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাদার সঙ্গে আমার বাবার খুব ভালো বন্ধুত্ব। ফলে আমাদের মধ্যে একটা পারিবারিক সম্পর্ক রয়েচফহে”। যদিও বাপ্পাদিত্যের দাবী, পার্থর একাধিক সম্পর্কের কথা তিনি কিছুই জানতেন না।
তবে কাউন্সিলর এও জানান যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যদি তাঁকে ডাকে, তাহলে তিনি যেতে প্রস্তুত। তাঁর কথায়, “এর আগে আমাকে ডাকা হয়েছিল। সেই সময় আমার আইটি রিটার্ন দেখে হেঁসেছিল ইডি এবং সিবিআই। তবে আবার ডাকলে আমি যেতে প্রস্তুত। আমি যে কোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত”।





