পশ্চিমবাংলা (West Bengal) শাসক শিবিরের কাছ থেকে দলবদলের প্রস্তাব পেলেন সিপিএমের (CPIM) এক বিধায়ক। পশ্চিমবাংলার প্রাক্তন তথ্য–প্রযুক্তি (Information Technology) মন্ত্রী দেবেশ দাসের (Debesh Das) পর এবার তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) দলের ফোন গেল উত্তর দিনাজপুরের ফরওয়ার্ড ব্লকের বিধায়ক আলি ইমরান রামজের (Ali Imran Ramj) কাছে। তাঁকে মন্ত্রীত্বের লোভ দিয়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রশান্ত কিশোরের টিম আই-প্যাকের (I-Pac) বিরুদ্ধে। যদিও বাম শিবিরের পূর্ববর্তী নীতি মেনে দেবেশবাবুর মতো ইমরানও সেই প্রস্তাব সঙ্গে সঙ্গে ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে খবর।
উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া (Chakulia) বিধানসভা থেকে ৩ বার নির্বাচিত হন আলি ইমরান রামজ। নিজের অঞ্চলে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির আঙিনায় তিনি ভিক্টর নামেই পরিচিত। অত্যন্ত সুবক্তা ভিক্টর জানান, জুলাই মাসে বহু বার প্রশান্ত কিশোরের আই–প্যাক থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রতিবারই তিনি এড়িয়ে যান। সেই মাসেই কলকাতায় এক অভিজাত রেস্তোরাঁয় সস্ত্রীক নৈশভোজে গিয়েছিলেন ইমরান। আর তা জানতে পেরে খোদ প্রশান্ত কিশোর তাঁকে ফোন করে সাক্ষাৎ করতে চান। প্রশান্ত কিশোরের ডাক এড়াতে পারেননি ইমরান।
ওই রেস্তোরাঁয় বসেই রাজনৈতিক আলাপচারিতা হয় দুজনের। ইমরান দাবি করেছেন, তখন প্রশান্ত কিশোর তাঁকে ‘অফার’ দেন, তৃণমূলের টিকিটে জিতলে তাঁর পছন্দের যে কোনও তিনটি দফতরের মধ্যে একটিতে তাঁকে মন্ত্রী করা হবে। কিন্তু ইমরান ওরফে ভিক্টর পরিষ্কার জানিয়ে দেন, এ পর্যন্ত ১০ বারের বেশি তৃণমূল থেকে দলবদলের প্রস্তাব পেয়েছি। ওরা ২০১৪ ও ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে টিকিটও দিতে চেয়েছিল। কিন্তু রাজি হইনি। এবারও হব না।
তবে এই বাম নেতার দাবি উড়িয়ে দিয়েছেআই-প্যাক। প্রশান্ত কিশোরের দলের এক সদস্য জানিয়েছেন বাম নেতা ইমরানই আগে পশ্চিমবঙ্গে শাসক দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখানে তখন তিনি কিছু শর্ত দেন যা পরবর্তীতে মেনে নেওয়া হয়নি। আর তাই এখন তিনি এই সমস্ত উল্টা পাল্টা অভিযোগ করছেন।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!