পরিবর্তনের শুরু? দীর্ঘদিন তৃণমূলের দখলে থাকা পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল বাম-কংগ্রেস জোট, উল্লাস মিছিল মুর্শিদাবাদে

বর্তমানে একাধিক দুর্নীতিতে বিদ্ধ রাজ্য সরকার। পার্থ-অনুব্রতর গ্রেফাতারির পর যেন একেবারেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে তৃণমূল। এমন আবহে এবার অনেকের মুখেই উঠে আসছে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলের কথা। তবে কী ফের পরিবর্তন আসতে চলেছে রাজ্যে? এখন সেই প্রশ্নই সর্বত্র।

তবে শাসক দল এমন কথা মানতে নারাজ। তাদের মতে, তৃণমূল রয়েছে তৃণমূলেই। তবে মুর্শিদাবাদের গ্রাম পঞ্চায়েতে বাম ও কংগ্রেস জোটের জয় যেন এবার পরিবর্তনের আগুনে ঘি ঢালল। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের দখলে থাকা পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল বাম-কংগ্রেস জোট।

মুর্শিদাবাদের দেওয়ানসড়াই গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচন হয়। সেই নির্বাচনে জয়লাভ করেছে বাম-কংগ্রেস জোট। একরকম খেলা ঘুরিয়ে দীর্ঘদিন তৃণমূলের দখলে থাকা পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল বাম ও কংগ্রেস জোট। এই হারের জন্য অবশ্য দায়ী তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন তাঁর কর্মীরাই। সেই কারণেই প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচন এগিয়ে আনা হয়।

জানা গিয়েছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২৪ জন সদস্যের মধ্যে তৃণমূলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১১ জন ও বাম-কংগ্রেস জোটের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৩ জন। এই পঞ্চায়েত যায় জোটের দখলেই। পঞ্চায়েত প্রধান হন কংগ্রেসের সন্ধ্যা রানী দাস ও উপপ্রধান হন বামেদের মীরা সরকার মণ্ডল।

এদিন ফল ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চারিদিক উল্লাসে মেতে ওঠে সকলে। বাম ও কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা স্লোগান দেন, “২৩-এর ভোটে খেলা হবে”। এই জয়ের পর বএক সিপিএম নেতা বলেন, “এটা প্রত্যাশিত ছিল। অতীতে যেভাবে পঞ্চায়েত বোর্ড তৈরির সময় পুলিশদের দিয়ে বলপূর্বক নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করেছিল তৃণমূল, তাতে এই দিন আসারই ছিল”।

RELATED Articles