মোমিনপুর হিংসার ঘটনায় বিতর্ক এখনও থামার নাম নেই। এই নিয়ে এখন উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। একদিকে মোমিনপুরের নানান ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে সরব হয়েছে বিজেপি, আর অন্যদিকে এই নিয়ে কটাক্ষ শানাচ্ছে তৃণমূলও। এবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
গত শনিবার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে মোমিনপুরে। সেই নিয়ে পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়। রবিবার সেই সংঘর্ষ আরও বাড়ে। দোকান, বাইক ভাঙচুর করা হয়। এরপরই গোটা রাজ্যে এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।
এই ঘটনায় বিক্ষোভ দেখায় গেরুয়া শিবির। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে তোপ দাগেন। তিনি মোমিনপুরের উদ্দেশে রওনা দিলে পুলিশ তাঁকে মাঝ রাস্তায় বাধা দেয়। অন্যদিকে, এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় পুলিশের হস্তক্ষেপের দাবী তুলে রাজভবনে পৌঁছন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এবার এই ঘটনায় পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলে সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, “ধর্মীয় পতাকা লাগানো নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। সেই মুহূর্তে পুলিশ কেন ব্যবস্থা নিল না? পুলিশ ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হতো না। এই ঘটনায় এক বড় পরিবহন ব্যবসায়ীর ছেলেকে প্রথমে আটক করে প্রশাসন, যিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহায়তা করে আসছেন। কিন্তু এরপর কার নির্দেশে এবং কেন অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়া হল, পুলিশের কাছে সেই প্রশ্ন তুলছি”।
এই ঘটনার সঙ্গে নোয়াখালির তুলনা করার জন্য বিজেপিকে কটাক্ষ করেন বামনেতা। বলেন, “পুলিশ অপদার্থতা করেছে আর সেই কারণে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কারবারীরা এর সঙ্গে নোয়াখালি এবং অন্যান্য ঘটনার তুলনা টেনে চলেছে। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গুজব ছড়াচ্ছে বিজেপির আইটি সেল। মোমিনপুরে যা হয়েছে, পুলিশের জন্য। ওরা উৎসবের কাজে ব্যস্ত থাকার জন্য হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তবে বিজেপি এক্ষেত্রে কেবলমাত্র হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করে চলেছে”।





