আমফান হয়ে গিয়েছে তিনদিন হল কিন্তু এখনও এর রেশ কাটেনি। গোটা বাংলা জুড়ে এর ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন এখনও সুস্পষ্ট। বিশেষত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিস্তীর্ণ এলাকা প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে এই ভয়াল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে। তিন দিন ধরে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বিভিন্ন অঞ্চল। বিদ্যুতের দাবিতে শনিবার জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। যার জেরে কাকদ্বীপে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে পৌঁছনো হল না ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ না দেখানোর জন্য শনিবার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেই আবেদন কানে তোলেননি ভুক্তভোগীরা। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনের পরেও পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন। ফলে কাকদ্বীপের পথে রওনা হয়েও গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরতে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
শনিবার ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মমতা। সেখানে প্রশাসনিক কর্তাদের অপচয় ও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে বলেন তিনি। সেখানেই তিনি জানান, পথ অবরোধের জেরে আসতে পারেননি সাংসদ অভিষেক।
অন্যদিকে, শনিবার আমফান বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ দিতে বেরিয়ে পুলিশের বাধায় দক্ষিণ ২৪ পরগণার ঢালাই ব্রিজ থেকেই ফিরে আসতে হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। দিলীপবাবু বলেছেন, দরকারে পায়ে হেঁটে যাব আর্ত মানুষের কাছে। রবিবারও নিজের সংসদীয় কেন্দ্র পূর্ব মেদিনীপুরে যাচ্ছিলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি। পূর্ব মেদিনীপুরের শ্রীকৃষ্ণপুরে তাঁকে আবারও আটকায় পুলিশ প্রশাসন। এরফলে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়।





