‘ক্লাবকে টাকা না দিয়ে ডিএ দিলে তাহলে অনেক পরিবারে খুশি আসত’, ফের মমতাকে বেলাগাম কটাক্ষ দিলীপের

ডির মামলায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে জয়ী হয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। কিন্তু সেই ডিএ এখনও পান নি কর্মচারীরা। আদালত ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বললেও তা এখনও মেটায় নি রাজ্য। শোনা যাচ্ছে, হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য। এবার এই ডিএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের কটাক্ষ শানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

আজ, সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যে টাকাটা দুর্গাপুজোর জন্য দিল সেই টাকাটা কেউ চায়নি। জোর করে দিয়েছে, পুজোগুলিকে হাতে নেওয়ার জন্য। ক্লাবে দিয়েছে ক্লাবগুলিকে হাতে নেওয়ার জন্য। এভাবে রাজনৈতিক লাভ নেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই টাকাটা যদি ডিএ হিসেবে দিতে পারতেন, তাহলে অনেক পরিবারে খুশি আসত, আনন্দ আসত। ফুর্তি করে সেই টাকাটা উড়িয়ে দিচ্ছে। ওই টাকাটা দিয়ে তো বাজারে কেনাকাটা হতো। বাংলার ভবিষ্যৎ আর্থিকভাবে সুখকর হোক সেটা চায় না”।

ডিএ মামলার রায়ে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলেন, “ডিএ না দেওয়ার কথা রাজ্য সরকার কখনও ভাবেনি। সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী সব সময়েই সরকারি কর্মীদের পাশে আছেন। আগেও তিনি ডিএ নিয়ে যা বলার বলেছেন, করেছেন, দিয়েছেনও। বিষয়টি একেবারেই বিচারাধীন। রাজ্য সরকার, রাজ্য সরকারের এজি এবং উচ্চ ন্যায়ালয় এবং বিচারপতির বিষয়। নিশ্চয়ই তাঁরা এটা ঠিক করবেন। প্রয়োজনে যা করার তা করবেন। আদালতের কোনও আদেশের উপরে তো কিছু বলা যায় না”।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে থেকে বকেয়া ডিএ-র দাবীতে আইনি লড়াইয়ে নেমেছেন কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সদস্যরা। সম্প্রতি আবার কেন্দ্রীয় সরকার চার শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেছে। এরপর থেকে এই নিয়ে আরও বেড়েছে। এখন কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে রাজ্য সরকারের ডিএ ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ শতাংশে।

RELATED Articles