বিশেষ সম্প্রদায়ের তীর্থযাত্রীদের ফিরিয়ে আনতে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী, কটাক্ষ দিলীপের!

বিশেষ সম্প্রদায়কে তোষামোদ করেন মুখ্যমন্ত্রী। এমন অভিযোগ বরাবরই করে থাকে বিরোধীরা। এই লকডাউনের মধ্যেও বিশেষ সম্প্রদায়ের তীর্থযাত্রীদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু ভিন রাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের হাহাকার শুনেও মন গলছে না রাজ্য সরকারের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠি পাঠানো প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে এমনতর বাক্যবান‌ই ছুঁড়লেন দিলীপ ঘোষ।

বঙ্গ বিজেপির কান্ডারী এদিন বলেন শ্রমিকরা যখন অন্য রাজ্য থেকে বাড়ি আসার জন্য ছটফট করছেন, তখন মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। উনি কি প্রশান্ত কিশোরকে রাজপাট বুঝিয়ে বানপ্রস্থে চলে গিয়েছেন। অন্য রাজ্যগুলি যখন নিজেদের পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে তখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যস্ত অমিত শাহকে পাল্টা টুইট করতে।

দিলীপবাবু বলেন, ‘রাজ্যের মানুষ যখন হাহাকার করছেন, কোথা থেকে আকাশবাণী শোনাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি এখন কোথায় আছেন। মুখ্যমন্ত্রী এক মাস ধরে নাটক করলেন, চাল ডাল বিতরণ করলেন ফটো তুললেন, তারপর কোথায় উধাও হয়ে গেলেন। উনি কি কোয়ারান্টাইনে গেছেন। তাঁর স্বাস্থ্য কি ঠিক আছে। এই দুঃসময়ে মানুষ যখন খাবার পাচ্ছে না। তখন মুখ্যমন্ত্রীকেও পাওয়া যাচ্ছে না।’

দিলীপ বাবুর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যদি শ্রমিকদের আনার ব্যবস্থা না করতে পারেন তা হলে লিখিতভাবে জানাক। বিজেপি সেই সব রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করবে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রীকে কোন রাজ্যে কত বাংলার শ্রমিক আটকে রয়েছে তার হিসেব দিতে হবে।

কদিন আগেই আজমের শরিফ থেকে পশ্চিমবঙ্গে ডানকুনিতে একটি ট্রেন আসে। যেখানে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের তীর্থযাত্রীদের ট্রেনে করে আনা হয় বলে দাবি করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, অন্য রাজ্য যখন পরিযায়ী শ্রমিকদের আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিশেষ ট্রেন চালানোর আবেদন করছে। তখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার মাত্র দুটো ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করেছে। সেখানে বিশেষ সম্প্রদায়ের তীর্থযাত্রীদের নিয়ে আসায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

RELATED Articles

Leave a Comment