‘দক্ষিণবঙ্গের অনুব্রত আর উত্তরবঙ্গের উদয়ন একই ক্যাটাগরির লোক’, নিশীথের কনভয়ে তৃণমূলের হামলা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক দিলীপ

গতকাল কোচবিহারের (Cooch Bihar) সিতাইয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ে হামলা হয়। কনভয় লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় ইট, পাথর। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল যায় তৃণমূলের (TMC) দিকেই। এব্র এই ঘটনা প্রসঙ্গে শাসক দলকে একহাত নিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর কথায়, “দক্ষিণবঙ্গের বীরভূমের অনুব্রত (Anubrata Mandal) আর ওখানে কোচবিহারের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha), ওঁরা হচ্ছেন সেম ক্যাটাগরির লোক”।

আজ, শুক্রবার সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে প্রাতঃভ্রমণে যান দিলীপ ঘোষ। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “সারা পশ্চিমবঙ্গ ধীরে ধীরে উপদ্রুত এলাকা হয়ে যাচ্ছে। এখানকার বীরভূমের অনুব্রত, ওখানে কোচবিহারের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ, তাঁরা হচ্ছেন সেম ক্যাটাগরির লোক। তাঁরা হচ্ছে তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা যদি সব গুন্ডা হয় বাতুলতা সুরক্ষা চাওয়াটা। আমাদের এখানে প্রথমবার হচ্ছে না, তাঁর ওপর হামলা হয়েছিল। ভোটের পরে পূর্ব মেদিনীপুরে কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন মল্লিধরণ মন্ত্রী তাঁর উপরে হামলা হয়েছিল। আমাদের ওপর রোজই হয় হামলা”।

মেদিনীপুরের সাংসদের সংযোজন, “দেশের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তাঁরও কোন সুরক্ষা নেই, তিনি আমাদের কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন, রাস্তায় বোম মারা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে আদৌ সরকার আছে কিনা বোঝা যায় না”।

উল্লেখ্য, দু’দিন আগেই অনুব্রত মণ্ডল প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “ওঁকে জামিন পাইয়ে দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ চেষ্টা চলছে। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ওঁ জামিন পেয়ে গেলে বাংলা অশান্ত হবে”। তাঁর এমন আশঙ্কা প্রকাশ করার পরই নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে এমন হামলা হল।

বলে রাখি, গতকাল, বৃহস্পতিবার দুপুরে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে সিতাই যাচ্ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সেই সময়ই গোসানিমারি এলাকায় রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গেই মিশে ছিলেন তৃণমূল কর্মীরাও। নিশীথের কনভয় যাওয়ার সময় আচমকাই হামলা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, পুলিশের সামনেই হামলা হয়। পালটা প্রতিরোধ গড়ে বিজেপি কর্মীরাও। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।

RELATED Articles