আজ রাজ্য রাজনীতিতে একটাই আলোচনার বিষয় তা হল এনডিএ ছেড়ে জিটিএ নেতা বিমল গুরুংয়ের তৃণমূলের সঙ্গে জোট স্থাপন। একাধিক মামলায় ফেরার বিমল গুরুং আজ বিধান নগরে এক অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সামনে ঘোষণা করলেন যে তিনি এনডিএ ছেড়ে বর্তমানে তৃণমূল সরকারের সঙ্গে জোট বাঁধছেন কারণ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা রাখেননি কিন্তু এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কথা রাখেন।তিনি আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে মমতার জয়লাভই দেখতে চান।
এই কথা শুনে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করলে সব কিছুতেই ছাড় মেলে। এখন বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ছত্রধর মাহাতো। এখন দেখতে হবে বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের করা মামলার কী হাল হয়।
সম্প্রতি করোনা মুক্ত হয়ে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ। বিমল গুরুংয়ের তৃণমূলের সঙ্গে জোট স্থাপন করার খবর শুনে তিনি এদিন বলেন যে, “বিমল গুরুং দীর্ঘদিন পাহাড় ছাড়া ছিলেন। এবার পাহাড়ে ফিরতে চাইছেন তাই আত্মসমর্পণ করলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করলে সব কিছুতেই ছাড় মেলে। এ এক রাজ্য চলছে বটে।”
এখানে প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি তৃণমূল গোর্খাল্যান্ডের দাবি মেনে নিতে চলেছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে শেষে বাংলা আবার ভাগ হচ্ছে? বিজেপি সেই প্রশ্ন তুলছে যে তৃণমূলের সঙ্গে কী এমন রফা হলো বিমল গুরুংয়ের যে তিনি সাংবাদিক বৈঠকে বারবার গোর্খাল্যান্ডের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন?এই বিষয়টি তৃণমূলকে স্পষ্ট করতেই হবে সকলের সামনে।
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে বিমল গুরুং ঘোষণা করেন যে, আগামী বছরের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তারা জোট সঙ্গী হয়ে লড়াই করবেন এবং বিজেপিকে মোক্ষম জবাব দেবেন। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য, বিমল গুরুং কী করতে পারেন সেটা তারা দেখে নেবেন।





