আজ, বুধবার ১২ ঘণ্টার বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। এই বন্ধকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নানান প্রান্তে বেশ উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এরই মধ্যে আজ, বুধবারই শহরে মহামিছিলের ডাক দিয়েছে চিকিৎসক সংগঠন। তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে এদিন ফের মিছিলে হাঁটবেন চিকিৎসকরা। কোনও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির তৈরি হবে না তো?
গতকাল, মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের মিছিলে পুলিশের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আজ বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও গতকালের নবান্ন অভিযানকে সমর্থন করেন নি চিকিৎসকরা। এই বন্ধকে কী তারা সমর্থন জানাচ্ছেন? চিকিৎসকদের মতে, তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই সুবিচার চান। কোনও অশান্তির মধ্যে তারা যেতে চান না। বুধবার শ্যামবাজারের পাঁচ মাথার মোড় থেকে শুরু হবে চিকিৎসক সংগঠনের এই মিছিল। মিছিল যাবে ধর্মতলা পর্যন্ত।
জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, “আমরা সকলের কাছে আবেদন রাখছি, এই মহামিছিলকে সফল করুন। আমাদের আন্দোলনকে সহমর্মিতার চোখে দেখে দাবিগুলিকে সমর্থন করুন। যাদের কানে আমাদের দাবি পৌঁছাচ্ছে না, তাদের জন্যই এই মিছিল হবে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে এক বৈঠকে ফোরাম পাঁচটি দাবিসনদ তৈরি করেছে। মহিলা চিকিৎসা কর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় একটি ফাস্ট ট্র্যাক দ্রুত গড়ে তোলা”।
এই সংগঠনের কথায়, “আমাদের আন্দোলন ১৯ দিনে পা রাখতে চলেছে। আর জি করের ঘটনা নিয়ে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রের মানুষের মনে আগুন জ্বলছে। তাকে নিভিয়ে দেওয়া যাবে না”।
বলে রাখি, গত ২১ আগস্ট স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেছিলেন চিকিৎসকরা। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে স্বাস্থ্য ভবন পর্যন্ত মিছিল করেন তারা। স্বাস্থ্য ভবনে স্মারকলিপি জমা দেন। স্বাস্থ্য ভবনের বাইরেও অবস্থান বিক্ষোভ করেছিলেন তারা। তাদের আন্দোলন-প্রতিবাদের জেরেই আর জি করে নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ সুহৃতা পালকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, এদিন বন্ধকে কেন্দ্র করে নানান জায়গায় ছড়িয়েছে উত্তেজনা। কোথাও ট্রেন অবরোধ করা হচ্ছে, তো কোথাও আবার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ। বন্ধকে সফল করতে যখন সচেষ্ট বিজেপি নেতাকর্মীরা। তৃণমূলের তরফে বন্ধকে ব্যর্থ করার চেষ্টাও চলছে। এমন আবহে চিকিৎসকদের মিছিলে কোনও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় কী না, সেটাই দেখার!





