আজ থেকেই বিধানসভায় শুরু হুএছে বাজেট অধিবেশন। সেই নিয়েই অধিবেশনের শুরুতেই একপ্রস্থ নাটক হয়েছে। এবার এরই মধ্যে উঠে এল উপনির্বাচনের জল্পনাও। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ, শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্য সরকারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এই চিঠিতে রাজ্য সরকারের থেকে কমিশনের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে যে রাজ্যসভার দুটি আসনে নির্বাচন করানো সম্ভব কী না। প্রত্যুত্তরে রাজ্য সরকার জানায় যে নির্বাচন কমিশন যাতে উপনির্বাচন নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা শুরু করে।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মোট আসন ছিল ২৯৪টি। কিন্তু এর মধ্যে ২৯২টি আসনে ভোট হয়। সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর আসনের প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় সেই দুই আসনে নির্বাচন হয়নি। আবার ভোটের ফল্প্রকাশের আগেই খড়দহ আসনের প্রার্থীর হওয়ায় সেই আসনও ফাঁকা।
এদিকে, বিজেপির দুই সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ায় সেই দুই আসনও ফাঁকা রয়েছে। এদিকে আবার ভবানীপুরের আসনটিও ছেড়ে দেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এই সাতটি আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা।
রাজ্যসভার দুটি আসনে নির্বাচন করানো সম্ভব কী না, তা রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। এতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সায় দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি এখন অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসায় দ্রুত উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে কমিশনকে দেওয়া পাল্টা চিঠিতে। এবার নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেটাই দেখার।





