শুভেন্দু দল ছাড়তেই এবার রাজ্যজুড়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে হিড়িক লেগেছে তৃণমূল ত্যাগ করার।
আজ অর্থাৎ শুক্রবার সংখ্যালঘু অধিকার দিবসেই ইস্তফা দিলেন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক কবিরুল ইসলাম। যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষত মুসলিমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল জনসমর্থনের অন্যতম ভিত্তি, বাংলার মূল ভোটব্যাঙ্কও বলা যায় সেই দেওয়ালেও এবার চিড় ধরল। দলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হাজি শেখ নুরুল ইসলামকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। তৃণমূল ত্যাগ করার পরই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করে বিজেপির পথে পা বাড়িয়ে রাখা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই থাকবেন।
তাঁকে প্রশ্ন করা হয় এইভাবে হঠাৎ দল ছাড়ার কারণ কি? উত্তরে সবার মতোই তাঁরও একই বক্তব্য! গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও প্রশান্ত কিশোর। সদ্য তৃণমূল ত্যাগী এই নেতা বিজেপিতে যোগদানের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে তাঁর পদত্যাগের পর তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।
জেলায় জেলায় তৃণমূল ত্যাগের হিড়িক চলছে। হাজি শেখ নুরুল ইসলামকে পাঠানো পদত্যাগপত্রে কবিরুল ইসলাম লিখেছেন, তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি আমি।
এক মহিলা বাঙালি রাজনীতিকের হাতে তৈরি দল তৃণমূল এখন বাংলাতেই অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ার পথে। শুভেন্দু অধিকারী, জিতেন্দ্র তিওয়ারি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, শীলভদ্র দত্ত একাধিক শীর্ষ নেতার দলত্যাগ তৃণমূলকে যথেষ্ট সংকটের মুখে ফেলে দিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের আগে।
আর এই তৃণমূল ত্যাগীদের এবার লক্ষ্য বিজেপি! সূত্রের দাবি, আগামী শনিবার মেদিনীপুরে অমিত শাহ-র সভামঞ্চে শুভেন্দুর পাশে দেখা যেতে পারে শীলভদ্রকেও।