ভজন শোনার অপ*রাধ, এবার বাংলাতেই আ’ক্রান্ত হিন্দুরা! বেধ*ড়ক মার*ধর, গাড়িতে হামলা, কাঠগড়ায় সংখ্যালঘুরা

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের সীমা পেরিয়ে যাচ্ছে। নির্যাতন দিনদিন বেড়েই চলেছে হিন্দুদের উপর। এই ঘটনায় ভারতের নানান রাজনীতিবিদ সরব হয়েছেন। নয়াদিল্লির তরফে কড়া বিবৃতি জারি করা হয়েছে কিন্তু তা সত্ত্বেও এই বিষয়ে উদাসীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনুস সরকার। এরই মধ্যে এবার এপার বাংলাতেও হিন্দুদের উপর হামলার খবর মিলল।

ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি এলাকায়। জানা গিয়েছে, ওয়াকফ সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে কাঁথি সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় সংখ্যালঘুদের তরফে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। বহু সংখ্যালঘুরা জমায়েত করেছিলেন সেখানে। সেই সময় সেই সভাস্থলের মধ্যে দিয়ে একটি গাড়ি করে দিঘা থেকে ফিরছিলেন কিছু যাত্রী। তাদের গাড়িতে ভজন চলছিল। সেই ভজন শুনেই ওই গাড়ির উপর হামলা চালায় সভায় যোগ দেওয়া লোকজন।  

এই ঘটনার কথা এস হ্যান্ডেলে জানিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটব্যাঙ্কের প্রচুর মানুষ সেখানে জড়ো হয়েছিল। আক্রান্তদের একমাত্র দোষ ছিল যে তারা গাড়ির সনাতনী ভজন শুনছিলেন। তখন সভায় যোগ দেওয়া মানুষজন উত্তেজিত হয়ে গাড়িতে হামলা চালায়। তারা যে আতঙ্কের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল তা কল্পনা করা যায় না। তাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাদের নির্মমভাবে মারধর করা হয়। এদের মধ্যে দুজনকে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে”।

শুভেন্দুর এও শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একদল উত্তেজিত জনতা হাতে ইট, লাঠি, হকি স্টিক দিয়ে একটি গাড়িতে ভাঙচুর চালাচ্ছেন। গাড়ির জানলা দিয়েই যাত্রীদের মারধর করা হচ্ছে। কিছু মানুষ উত্তেজিত জনতাকে থামানোর চেষ্টা করছে বলে দেখা যায় ভিডিওতে। এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে সাহায্যের আবেদন জানান শুভেন্দু।  

এই পোস্টে শুভেন্দু আরও লিখেছেন, “বর্তমান রাজ্য সরকারের তোষণের রাজনীতির কারণেই স্বাধীনতা ও অধিকারের ক্রমাগত সংকীর্ণতাকে জনগণের বিবেচনায় আনা উচিত। এসব ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে এবং দিন দিন বাড়ছে”।

আরও পড়ুনঃ ফের দু*র্ভোগের শি’কার হবেন নিত্যযাত্রীরা, টানা তিনদিন বা’তিল একগুচ্ছ লোকাল, বেরোনোর আগে জেনে নিন বা*তিল ট্রেনের তালিকা

শুভেন্দুর কথায়, কিছু দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করার জন্য এই ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। এই ঘটনার কথা জানার পরও কেন পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় শুভেন্দু কটাক্ষ করেছেন রাজ্য সরকারকেও।

RELATED Articles