ভরতপুরে বুধবার সকালে আচমকাই উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়। প্রাক্তন সাংসদ ও বর্তমান বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বাড়িকে ঘিরে ভিড়, পুলিশের যাতায়াত—সব মিলিয়ে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে কৌতূহল। ঠিক কী ঘটল, কেন হঠাৎ এই পরিস্থিতি, তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে স্পষ্ট কিছু না জানা গেলেও ধীরে ধীরে সামনে আসতে থাকে একের পর এক তথ্য।
ঘটনার সূত্রপাত হুমায়ুন কবীরের বাড়ির নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় থেকে। অভিযোগ ওঠে, বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী ও হুমায়ুন কবীরের ছেলের মধ্যে বচসা হয়। সেই বচসাই পরে হাতাহাতির আকার নেয় বলে অভিযোগ। নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করা হয়েছে—এই অভিযোগ পেয়ে পুলিশ হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে যায় এবং তাঁর ছেলেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
যদিও পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ভিন্ন সুর শোনা যায় হুমায়ুন কবীরের গলায়। তাঁর দাবি, নিরাপত্তারক্ষী প্রথমে দুর্ব্যবহার করেন। এমনকি তাঁকে মারতে তেড়ে আসেন বলেও অভিযোগ করেন বিধায়ক। সেই পরিস্থিতিতে ছেলে নিরাপত্তারক্ষীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলেই তাঁর বক্তব্য। তাঁর কথায়, “ছেলে কাউকে মারধর করেনি, বরং পরিস্থিতি সামলেছে।”
অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, নিরাপত্তারক্ষী ছুটি চেয়েছিলেন। কিন্তু ছুটি মঞ্জুর না হওয়ায় ক্ষোভ থেকেই এই অশান্তির সূত্রপাত। সেই সময় হুমায়ুন কবীরের ছেলে এসে নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করেন বলেই প্রাথমিক অভিযোগ। ঘটনার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ Kolkata metro : এক ঘণ্টা মেট্রোর ভিতর বন্দি যাত্রীরা, শেষে পায়ে হেঁটে উদ্ধার—বারবার যান্ত্রিক গোলযোগে কি প্রশ্নের মুখে কলকাতা মেট্রো?
ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার এসপি অফিস ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। পুরো ঘটনায় কার বক্তব্য কতটা সত্য, তা খতিয়ে দেখতেই তদন্ত চলছে। তবে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বাড়িতে এই ধরনের অভিযোগ ঘিরে যে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।





