রাজ্য

‘দলে কিছু চুনোপুঁটি আছে যারা আমাদের মিটিং-মিছিলে ডাকছে না’, দলের গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য তৃণমূল বিধায়কের

সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Election)। এর জেরে এখন রাজ্যে সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এমন আবহে বারবার তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের (inner clash) ঘটনা সামনে আসছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে একদিকে বারবার বলা হচ্ছে যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। নিজেদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফেলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। মানুষের কাজ করতে হবে। ঠিক সেই সময়ই অন্যদিকে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) মন্তব্যে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন প্রকাশ্যে এল।

গতকাল, শনিবার মুর্শিদাবাদের সালার থানার তালিবপুরের সরমস্তপুর গ্রামে তৃণমূলের একটি কর্মীসভা ছিল। সেই কর্মীসভায় বক্তৃতা রাখেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সেখানেই তাঁর মুখে উঠে আসে পুঁটি মাছ ও ট্যাংরা মাছের প্রসঙ্গ। যদিও সরাসরি কারোর নাম করেননি বিধায়ক। তবে হুমায়ুন কবীরের এই মন্তব্য ঘিরে জোর শোরগোল পড়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরে।

এদিন তিনি বলেন, “চুনোপুটি কিছু আছে, আমরা লক্ষ্য করছি তো। আমাদের দলের মধ্যে থেকেই মিটিং-মিছিলে আমাদের ডাকছে না। আবার আমাদের লোকরা তাঁকে ডাকলেও তিনি আসছেন না। একই দলে থেকে দলের মধ্যে এইভাবে বিভাজন সৃষ্টি করা হচ্ছে। দলের মধ্যে থেকে দলকে অস্বস্তিতে ফেলা, দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা। এগুলি দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হচ্ছে। আমরা এগুলি বরদাস্ত করার জন্য অভ্যস্ত নই”।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে ভরতপুর ২ ব্লক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বিধায়ক হয়ত কোনও কর্মসূচিতে এই মন্তব্য করেছেন। কিন্তু তিনি কাকে উদ্দেশ্য করে এই মন্তব্য করেছেন, সেটি আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। তা উনিই বলতে পারবেন”।

যদিও বৈঠকে না ডাকার তত্ত্বটি উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমরা যা করি দলীয় নির্দেশেই করি। দল যখন যেমন সভা করতে বলে, তেমনভাবেই করা হয়েছিল। শেষ যে বড় সভাটি করা হয়েছিল, সেটিও তাঁর অনুমতিক্রমেই করা হয়েছিল। তিনি হয়ত বিশেষ কারণে আসতে পারেন নি”।

Back to top button
%d