ভাঙড়ে হিংসা থামার নাম নেই। ভোট গণনার দিন ভাঙড়ে পুলিশের উপর হামলা, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ গ্রেফতার আইএসএফের জয়ী প্রার্থী ওহিদুল ইসলাম মোল্লা। গতকাল, মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগণার বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয় এই আইএসএফ নেতাকে। আজ, বুধবার বারুইপুর আদালতে তোলা হবে ধৃতকে।
কী অভিযোগ ধৃতের বিরুদ্ধে?
পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হওয়ার দিন থেকেই অশান্তি শুরু হয়েছে ভাঙড়ে। গোটা নির্বাচন পর্ব জুড়ে ভাঙড়ে চলেছে বোমাবাজি ও গুলি বর্ষণ। ভোট গণনার দিন কাঁঠালিয়া স্কুল ঘিরে গুলিগোলা ও বোমাবাজি চলে। এই ঘটনায় ওই আইএসএফ প্রার্থীকে গতকাল গ্রেফতার করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, ওই প্রার্থী আইএসএফের ভোগালী ২ নম্বর এলাকার অঞ্চল সভাপতি। এবারের পঞ্চায়েত সমিতিতে জিতেছেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওহিদুলের বিরুদ্ধে এলাকায় অশান্তি ছড়ানো থেকে বোমাবাজির নানা অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ তার বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তাকে ধরার জন্য একাধিকবার তার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু প্রত্যেকবারই ব্যর্থ হয়।
অবশেষে গতকাল, মঙ্গলবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাতে ভাঙড় থানায় রাখা হয় ওহিদুলকে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই আইএসএফের জেলা পরিষদ প্রার্থী জাহানারা বিবির স্বামী তথা ভোগালী ১ নম্বর অঞ্চলের আইএসএফের অঞ্চল সভাপতি কারিমুল ইসলাম-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশের বিরুদ্ধেও উঠেছে অভিযোগ
ভাঙড়ের কাঁটাডাঙা এলাকায় বাড়ির ভিতরে ঢুকে আইএসএফের এক মহিলা সমর্থককে মারধর করার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। গত সোমবার কাঁটাডাঙা এলাকায় পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠি ও ঝাঁটা হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল আইএসএফের মহিলা সমর্থকরা। এরপরই মঙ্গলবার ওই এলাকায় কাশিপুর থানার পুলিশ, পাঞ্জাব পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনীর একটি দল অভিযান চালায়। নানান বাড়িতে তল্লাশি করে। অভিযোগ, তল্লাশির নামে আইএসএফের এক মহিলা সমর্থককে মারধর করেছে পুলিশ। মহিলাদের দাবী. তাদের কাছ থেকে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড চাওয়া হয়েছিল। প্রতিবাদ করাতেই মারধর করে পুলিশ।





