দুর্গাপুজোতে মেলে সরকারি অনুদান। এমনকি বিদ্যুতের বিলেও মেলে ছাড়। তাহলে কালীপুজোতে কেন তা হবে না। এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে কালীপুজোতেও এবার সরকারি অনুদান দাবী করল কালীপুজো কমিটিগুলি। সঙ্গে বিদ্যুতের বিলেও ছাড় দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে বলে খবর।
গতকাল, শনিবার কলকাতা পুলিশের তরফে কলকাতায় কালীপুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে একটি সমন্বয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। এই সমন্বয় বৈঠকে ছিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। এছাড়াও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উচ্চপদস্থ পুলিশকর্তা, থানার ওসি, এসিরা ছাড়াও দমকল, সিইএসসি, কলকাতা পুরসভার প্রতিনিধিরাও। এদিনের এই বৈঠকেই এমন দাবী তোলেন কালীপুজোর উদ্যোক্তারা।
প্রতি বছরই দুর্গাপুজোয় রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বছর ৮৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর তা ১ লক্ষও হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও বিদ্যুতের বিলেও ছাড় দেওয়া হয় পুজো কমিটিগুলিকে।
এই নিয়ে এবার কালীপুজোর কমিটিগুলির দাবী। দীপাবলিও বাঙালির প্রাণের উৎসব। এই সময় গোটা রাজ্য আলোর উৎসবে মেতে ওঠে। আলোয় ঝলমল করে চারদিক। তাহলে কালীপুজো কমিটিগুলি কেন বিদ্যুতের বিলে ছাড় পাবে না, এই নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় বৈঠকে। নানান পুজোর কর্তারাই এও দাবীতে সমর্থন জানান।
কালীপুজো কমিটিগুলোর মধ্যে অন্যতম নব যুবক সংঘ ওরফে ‘ফাটাকেষ্ট’র পুজো। সেই পুজো কমিটির সম্পাদক সুকৃতি দত্ত বলেন, “বৈঠকে নগরপালের সামনে ছোট পুজো কমিটিগুলোকে অনুদান দেওয়ার আবেদন করেছি আমরা। বিদ্যুতের বিলে যাতে ছাড় পাওয়া যায়, সেই আবেদনও করেছি”। জানা গিয়েছে, তাদের এই দাবী প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, তিনি সরকারের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবেন।
আরও পড়ুনঃ বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের! এবার সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রশিক্ষণ দেবে কলকাতা পুলিশ, কোথায় মোতায়েন করা হবে তাদের?
বলে রাখি, কলকাতা পুলিশের তরফে আগেই বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে সবুজ বাজিই ফাটাতে হবে সকলকে। আর তাও নির্দিষ্ট সময় মেনেই। কোনও বেনিয়ম কাজ করলে বা নিয়মবিরুদ্ধ বাজি ফাটালে যে তা দণ্ডনীয় অপরাধ, তাও বারবার উল্লেখ করা হয়েছে পুলিশের তরফে।





