আজ, মঙ্গলবার বিকেল ৪টে থেকে রেড রোডে রয়েছে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল। এদিন আবার অন্যদিকে রানি রাসমনি রোডে রয়েছে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরসের দ্রোহের কার্নিভাল। এই কার্নিভাল থেকে অশান্তি ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা পুলিশের। সেই কারণে এই কার্নিভাল ঠেকাতে কড়া নির্দেশ জারি করা হল কলকাতা পুলিশের তরফে।
মুখ্যসচিবের তরফে আগেই জুনিয়র চিকিৎসকদের চিঠি দিয়ে এই দ্রোহের কার্নিভাল বাতিল করার আর্জি জানানো হয়েছিল। তবে জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, দ্রোহের কার্নিভালের প্রভাব পুজোর কার্নিভালে পড়বে না। এই কর্মসূচির ছাড়পত্র দেয় নি পুলিশও। এবার এই কর্মসূচি নিয়ে করা অবস্থান কলকাতা পুলিশের।
জানা গিয়েছে, এই দ্রোহের কার্নিভাল থেকে অশান্তি ছড়াতে পারে, এমন আশঙ্কার কারণ দর্শিয়ে ১৬৩ ধারা জারি করল কলকাতা পুলিশ। গতকাল, সোমবার বেশ রাতের দিকে রানি রাসমনি ও এর সংলগ্ন এলাকায় কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জারি করলেন ১৬৩ ধারা। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, উল্লিখিত এলাকায় লাঠি বা অস্ত্র নিয়ে ঘোরা যাবে না। এরই সঙ্গে বলা হয়েছে, ১৬৩ ধারা জারি থাকা এলাকায় কোনও মিছিল, ধর্না, সভা বা বিক্ষোভ প্রদর্শন করা যাবে না।
যে সমস্ত এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি হয়েছে, সেগুলি হল-

বলে রাখি, সোমবার বিকেলে কলকাতা পুলিশের তরফে দ্রোহের কার্নিভালের অনুমতি না পেয়ে বেশ ক্ষোভ জারি করেছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরসের তরফে জানানো হয়েছিল, তাদের এই কর্মসূচি আটকানো যাবে না। তারা কর্মসূচি করবেই। এবার ১৬৩ ধারা জারির পর তাদের সিদ্ধান্ত কী হয়, সেটাই দেখার।
আরও পড়ুনঃ ‘কেউ এখানে চকোলেট, স্যান্ডউইচ খেয়ে অনশন করছে না…’, মন্তব্যের মাধ্যমে ঠিক কাকে খোঁচা দিলেন চিকিৎসক দেবাশিস হালদার?
প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে, রানি রাসমণি রোডে একাধিক খালি বাস দাঁড়িয়ে। পুলিশ রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্যই বাসগুলি দাঁড়িয়ে বলে অভিযোগ। একদিকে যখন রেড রোডে পুজোর কার্নিভালের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। আর অন্যদিকে, রানি রাসমণি রোডে বড় বড় ব্যারিকেড দিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রাস্তা। রাস্তার ধারে লাগানো হচ্ছে সিসি ক্যামেরা। সকাল থেকেই এখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।





