মুকুল রায় দলত্যাগ করেন নি। তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন। আজ, মুকুল রায়ের দলত্যাগ সংক্রান্ত মামলায় এমনই রায় দেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি জানিয়ে দেন, কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক কোনও দলত্যাগ করেন নি। বিজেপির তরফে যে অভিযোগ করা হয়েছিল, তা খারিজ করে দেন তিনি। এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।
এরপরই বিস্ফোরক দাবী করে একটি টুইট করেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। মুকুল রায়ের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি লেখেন, “সারদা ও নারদ মামলায় সিবিআই ও ইডির বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে গ্রেফতার করা উচিত। আমি ইতিমধ্যেই তাঁর সঙ্গে যৌথ জেরা চেয়ে চিঠি দিয়েছি। তিনি একজন প্রভাবশালী ষড়যন্ত্রী। তিনি তাঁর সুরক্ষার জন্য নানান রাজনৈতিক দলকে ব্যবহার করেছেন। মুকুল রায়কে কোনওভাবেই ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়”। কুণাল ঘোষের এই টুইট নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বেশ শোরগোল পড়েছে।
প্রসঙ্গত, আজ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে মুকুল রায়ের দলত্যাগ সংক্রান্ত কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়ে মুকুল রায় যে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, এর কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই কারণে তিনি এই মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। এদিন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পিটিশনার যথার্থ তথ্যপ্রমাণ দাখিল করতে পারেননি”। এই মামলায় ৩৫ পাতার রায় দেন অধ্যক্ষ।
শুনানি পর্বে মুকুল রায়ের আইনজীবী বারবার দাবী করেন যে কোনও দলবদল হয়নি। জানানো হয় যে সেই সময় মুকুল রায়ের কিছু ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল। এই কারণে তিনি অন্য একটি রাজনৈতিক দলের দফতরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তা শুধুমাত্র সৌজন্যের কারণেই। তিনি কোনও পতাকা তিনি হাতে নেননি।





