আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রাজ্যের চারিদিক উত্তাল। প্রতিবাদ-আন্দোলনের আঁচ ফুরিয়ে যায়নি। জুনিয়র চিকিৎসকরা কাজে ফিরে গেলেও প্রতিবাদের ওঠে রয়েছেন তারা। তবে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের দাবী, জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের আর কিছু অবশিষ্ট নেই। এমনকি, আর জি করের তরুণী চিকিৎসকদের মা-বাবাকেও কটাক্ষ করলেন তিনি।
আগামী ১৩ নভেম্বর রাজ্যের ৬ বিধানসভা কেন্দ্রে রয়েছে উপনির্বাচন। এদিন নৈহাটি কেন্দ্রেও হবে উপনির্বাচন। সেই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে-র সমর্থনে সেখানে ভোটের প্রচার করেন মদন মিত্র। আর সেই প্রচার সভা থেকেই জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের আন্দোলন নিয়ে কটাক্ষ শানান তৃণমূলের ‘কালারফুল বিধায়ক’।
এদিন মদন মিত্র বলেন, “ওরা বাজার থেকে বেরিয়ে গেছে, গেট আউট। পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজের জায়গায় আবার ফিরে এসেছেন”। তাঁর অভিযোগ, “মায়ের চেয়ে মাসির দরদের মতো এখন হঠাৎ রাতারাতি কিছু ভুঁইফোড় নেতা গজিয়ে গেছে। তবে তাতে লাভের কিছু হবে না”।
শুধুমাত্র জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনকেই না, এদিন আর জি করের নির্যাতিতার মা-বাবাকে নিয়েও মন্তব্য করেন তৃণমূল বিধায়ক। তাদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্’কে চিঠি দেওয়া ও তাদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেখা না করার বিষয় নিয়ে টিপ্পনী করেন তিনি। বলেন, “অনেকে ভেবেছিল জোর খেলা খেলে দিয়েছি। সলিড খেলা। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি মেয়ের মা-বাবা চার লাইনের চিঠি অমিত শাহকে লিখবে। আর অমিত শাহ পত্রাঘাতের পরিবর্তে পদাঘাত করে চলে যাবে, দেখা পর্যন্ত করবে না”।
আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র বাড়ি তৈরির টাকা নয়, এবার ভূমিহীনদের জমিও দেবে রাজ্য, আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের আবহেই বড় ঘোষণা মমতা সরকারের
প্রসঙ্গত, তৃণমূল বিধায়কের এহেন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে। তৃণমূলের বিধায়কের দাবী প্রেক্ষিতে জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের তরফে জানানো হয়েছে, আন্দোলনের মাধ্যমেই তারা মদন মিত্রের মন্তব্যের জবাব দেবেন।





