আর জি কর কাণ্ডের চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। আজ, মঙ্গলবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারকের কাছে পাঠানো হয় সিবিআইয়ের চার্জশিট। সেই চার্জশিটের কপিতে সই করানো হয় মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে দিয়ে। এদিন তাকে আদালতে হাজির করলে বিস্ফোরক দাবী করে সঞ্জয়।
সূত্রের খবর, এদিন প্রথমে কোনও কথা বলে নি সঞ্জয়। চুপচাপ সিবিআইয়ের চার্জশিটে সই করে সে। এরপর তাকে শিয়ালদহ আদালতে হাজির করা হলে বিচারকের সামনে বিস্ফোরক দাবী করে সে। প্রথমেই সঞ্জয় বিচারককে জানায়, “আমি কিছু বলতে চাই”।
এরপর বিচারক তাকে অভয় দিলে, সে বলে, “ঘটনার বিষয় আমি কিছু জানি না। আমার অনেক কিছু বলার আছে”। তখন বিচারক বলেন, “এখানে বলার জায়গা নেই”। সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত সঞ্জয় দাবী করেন, “আগের দিনও বলতে চেয়ে পারিনি। আজ না বলতে পারলে আর বলা হবে না। আমি কিছু না বললে, আমার ঘাড়ে বিষয়টা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে”।
সঞ্জয়ের এই কথা শুনে বিচারক বলেন, “আমি আপনার আইনজীবীকে বলছি হাজতে গিয়ে আপনার সঙ্গে কথা বলতে। আপনার কথা বলা দরকার। নাহলে এই মামলা চালানো যাবে না”।
বলে রাখি, সিবিআই যে চার্জশিট দাখিল করেছে তাতে ২০০ জনের সাক্ষী রয়েছে। সেই চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ই। এখনও পর্যন্ত পাওয়া নানা তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী, সঞ্জয়কেই মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৯ আগস্ট আর জি করের সেমিনার রুমে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের ক্ষতবিক্ষত দেহ। ধর্ষণ করে খুন করা হয় তাঁকে। এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশ তদন্ত করে গ্রেফতার করে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে। পরবর্তীতে এই ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের উপর। সঞ্জয়কে হস্তান্তর করা হয় সিবিআই। ঘটনার ৫৮ দিন পর চার্জশিট দাখিল করে সিবিআই।





