‘ববি গ্রেফতার হলেই জানবেন সব সাজানো’, এবার কী তবে ফিরহাদের গ্রেফতার হওয়ার পালা? আশঙ্কা প্রকাশ করে উদ্বিগ্ন মমতা

একের পর এক দুর্নীতিতে (corruption) বিদ্ধ হচ্ছে রাজ্য সরকার। শাসক দলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীর নাম জড়িয়েছে নানান দুর্নীতিতে। গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Parth Chatterjee) ও অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। কিন্তু এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বারবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দিকে আঙুল তুলেছেন। কেন্দ্র সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য ইডি-সিবিআইকে (ED-CBI) কাজে লাগাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা।

আজ, সোমবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে মেয়ো রোডে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মমতা বলেন যে কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম যদি গ্রেফতার হন, তাহলেই মনে করবেন সব সাজানো। মমতা বলেন, “যদি দেখেন অনেক কিছু পাওয়া যাচ্ছে আর ববি গ্রেফতার হচ্ছে, তা হলে মনে করবেন সব সাজানো ঘটনা। আর সব কিছু মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে জানবেন সব পূর্বপরিকল্পিত”।

মমতা কথায়, “সব এখন বিজেপির টাকায় চলছে। মিডিয়াও এখন বিজেপি টাকায় চলছে, তাই সব কিছুরই এখন মিডিয়া ট্রায়াল চলছে”। তিনি আরও বলেন, “কেষ্ট চোর, ববি চোর, অরূপ চোর, অভিষেক চোর, আমিও চোর। রেড রোডও চোর, মেয়ো রোডও চোর। তোমরা সবাই সাধু। সিপিএম ৩৪ বছর চুরি করে খেয়েছ। বিজেপির কোটি কোটি টাকা কোথায় রয়েছে তা-ও আমি জানি। আমিও সব কিছুর লিস্ট করেছি”।

উল্লেখ্য, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় ৫০ কোটি টাকা। আবার গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন অনুব্রত মণ্ডল। এই ঘটনায় বিরোধীদের তোপে কার্যত কোণঠাসা তৃণমূল। তবে এই অভিযোগ মেনে নিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব। মিডিয়াতেও এর বিরোধিতা করেছেন মমতা।

মমতার কথায়, “বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। বাংলায় হুইলচেয়ারে করে প্রচার করেছিলাম। আপনাদের সমর্থন পেয়েছিলাম। বিজেপিকে আটকে দিয়েছিলাম। এ বার ২০২৪ সালে বিজেপিকে দিল্লি থেকে সরাতে হবে। ২১-এ কলকাতায় হারিয়েছিল, ২৪-এ লালকেল্লা থেকে ওদের হটাব”।

RELATED Articles