২০২০ সালে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল রাজ্যে। কিন্তু করোনার কারণে তা হয়ে ওঠেনি। এখন রাজ্যে করোনার পরিস্থিতি বেশ ভালোই। এই আবহেই মিটে গিয়েছে একুশের বিধানসভা নির্বাচন। উপনির্বাচনের দিনও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এবার চলতি বছরের শেষের দিকেই হতে পারে পুরভোট। এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ, শনিবার নবান্নে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে মমতা বলেন, “অক্টোবরের শেষে উপনির্বাচন মিটলে অন্যান্য ভোটের ব্যবস্থাও করতে হবে”। তাঁর এমন মন্তব্য যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ও অন্যান্য ভোটের কথা বলতে যে তিনি পুরভোটের কথাই বলতে চেয়েছেন, তা বেশ স্পষ্ট।
গত ৩০শে সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন ও সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে সাধারণ নির্বাচন মিটেছে। অক্টোবরের ৩০ তারিখ রয়েছে বাকি চার কেন্দ্র অর্থাৎ গোসাবা, খড়দহ, দিনহাটা ও শান্তিপুরে ভোট। এই ভোটের ফলাফল মিটলেই পুরভোটের ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আজ, শনিবার নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে নির্বাচনের ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পুজোর সময় কাউকে বিরক্ত করবেন না। পুজোও হবে আবার ভোটও হবে। কিন্তু পুজোর আনন্দের সময়। তখন ভোটের প্রচার করবেন না। এ নিয়ে আমি কমিশনের কাছে আবেদন করব। যাতে ১০-২০ অক্টোবর কোনও প্রচার না হয়”। এরপরই তিনি বলেন, “এই ভোট মিটলে অন্যান্য ভোটেরও ব্যবস্থা করতে হবে”।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে রাজ্যে পুরভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের দাবী, করোনা পরিস্থিতির কারণে সেই ভোট করা সম্ভব হয়নি। এই কারণে কাউন্সিলরের বদলে সেই পদে রয়েছেন কো-অর্ডিনেটররা। এ নিয়েও জলঘোলা কম হয়নি। তবে এবার সেই ভোট হবে বলেই মনে হচ্ছে।
আরও পড়ুন- করোনায় মৃতদের পরিবার পাবে ৫০ হাজার টাকা, রাজ্যকে সাহায্য করবে মোদী সরকার, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট
প্রসঙ্গত, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই শুরু পুজো। এই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের নির্বাচন রয়েছে রাজ্যে। চার কেন্দ্রে হবে উপনির্বাচন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ফল প্রকাশ হবে ২ নভেম্বর। এরপরই ওই মাসের শেষের দিকেই পুরভোট হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।





